কম্বোডিয়ার হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত! জেসিবি মেশিন দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একটি মন্দির এবং বিষ্ণুমূর্তি। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমে। এই ঘটনার নেপথ্যে থাইল্যান্ড সরকার রয়ে...
কম্বোডিয়ার হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত! জেসিবি মেশিন দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একটি মন্দির এবং বিষ্ণুমূর্তি। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমে। এই ঘটনার নেপথ্যে থাইল্যান্ড সরকার রয়েছে দাবি তুলেছে কম্বোডিয়া প্রশাসন ও মন্দির কর্তৃপক্ষ।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে কম্বোডিয়ায় একটি মন্দিরে ৩২৮ ফুট উচ্চতার বিষ্ণুমূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার অবস্থান থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে। মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় সরব হয়ে কম্বোডিয়ান মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, 'আমরা বৌদ্ধ ও হিন্দু অনুসারীদের পূজ্য প্রাচীন মন্দির এবং মূর্তি ধ্বংসের তীব্র নিন্দা করছি।' অন্যদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, মন্দির এবং মূর্তি ভাঙার সময় একদল মানুষ নির্বাক দর্শক হয়ে গোটা ঘটনা নিঃশব্দে উপভোগ করছে।
বলে রাখা ভালো, চলতি বছরের জুলাই মাসে টানা পাঁচদিনের জন্যে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া। সেই পাঁচদিনের যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছিল কমপক্ষে ৪০ জনের। পরে থাইল্যান্ডের কাছে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানায় কম্বোডিয়া। যদিও তারপরেই যুদ্ধ অব্যাহত রেখেছিল থাইল্যান্ড প্রশাসন। পরে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় সম্পূর্ণ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় দু’পক্ষ। অন্যদিকে এক্ষত্রেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে তাঁর নিজের কৃতীত্বের দাবি জানিয়েছিল। তবে কি এই অবস্থায় ফের কম্বোডিয়ার মন্দিরে আঘাত করে যুদ্ধ উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করছে থাইল্যান্ডে? উঠছে সেই প্রশ্ন।