অসীম সেন: পাকিস্তানের কার্বোঙ্কল হয়েছে। একাধিক মুখ। তেহরিক ই তালিবান পাকিস্তান, বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন, পাশাপাশি আর একটা মুখ পাকিস্তান নিজে আবিস্কার করেছে, তা হল ভারত। নয়াদিল্লি নাকি বালোচদের আর্...
অসীম সেন: পাকিস্তানের কার্বোঙ্কল হয়েছে। একাধিক মুখ। তেহরিক ই তালিবান পাকিস্তান, বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন, পাশাপাশি আর একটা মুখ পাকিস্তান নিজে আবিস্কার করেছে, তা হল ভারত। নয়াদিল্লি নাকি বালোচদের আর্থিক সাহায্য করছে। দুম দাম ফুটফাট করে পাকিস্তানের বীর সন্তানদের মৃত্যুর পিছনেও নাকি হাত রয়েছে ভারতের।
২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার অন্যতম হোতা আল বদর জঙ্গি গোষ্ঠির কমান্ডার হামজা বুরহানকে কোনও এক অজ্ঞাত ধুরন্ধর মেরেছে মুজাফফরাবাদে। পাঠানকোট হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শহিদ লতিফকে, ২০২৩ সালে এক মসজিদে ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। খলিস্তান কমান্ডো পরমজিৎ সিং পাঞ্জওয়ারের হালও একই হয়। ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী সাজিদ মীর, পাকিস্তানের কারাগারে জামাই আদরে থাকাকালীন মারা যান।
এই সব হত্যার পিছনে যদি সত্যিই ভারতের হাত থাকে তাহলে আন্তর্জাতিক আদালতে তা প্রমাণ করাই পাকিস্তানের সর্বপ্রথম লক্ষ হওয়া উচিত। বীরের দেশ পাকিস্তান। তালিবান কিংবা বালোচিস্তান নাকে ঝামা ঘষে যাচ্ছে, আর পাকিস্তান মুসলিম লিগ বার্তা দিচ্ছে দেখনা হ্যায় জোর কিতনা বাজুয়ে কাতিল মে হ্যায়।
পাকিস্তানের কোয়েটা প্রদেশে আবার জঙ্গিদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস। ইদে ফিরছিলেন সেনাকর্মীরা। বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যু সংখ্যা প্রকাশ করছে পাকিস্তান। প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এর অনেক বেশি হতে পারে। হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মির মজিদ ব্রিগেড।
গত দুবছরে বার বার হামলার শিকার হয়েছে জাফর এক্সপ্রেস। গত বছরের অক্টোবরে সিন্ধ প্রদেশে জাফর এক্সপ্রেসে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে বালোচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে। গত বছরের মার্চে জাফর এক্সপ্রেস অপহরণ করে যাত্রীদের পণবন্দি করেছিলের বালোচ বিদ্রোহীরা। উদ্ধারে নামে পাক সেনা। সংঘর্ষে ২৬ সেনার মৃত্যু হয়েছিল। সব ব্যাটাকে ছেড়ে দিয়ে বেড়ে ব্যাটাকে ধর। বালোচদের সশস্ত্র আন্দোলনের জন্য়ও ভারতকেই দায়ী করা হচ্ছে।
ভাবটা এমন যেন গোটা পাকিস্তানের অলিতে গলিতে হামজা আলি মাজারি ঘুরে বেড়াচ্ছে, বালোচ নেতাদের সঙ্গে বালোচ ভাষায় নেচে চলেছে ধুরন্ধর। পাকিস্তানে পদে পদে রিভেঞ্চ রিভেঞ্চ খেলা খেলছে। আসলে সদ্যবিধবাকে সেই যে বলেছিল না, মোদিকে বল। সেই থেকে রীতিমত ভয়ে আছে পাকিস্তান। কারণ এই ভারত কুুকুরের সামনে রুটি দেওয়া ছেড়ে দিয়েছে।