অসীম সেন: আপাতত যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি কাটল। আবার একে অপরের বাড়িতে রক্ষাকালী পুজোর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাবে। আবার একে অপরকে প্যাডের পাতায় চিঠি লিখে কুশল বিনিময় করবে। আবার তর্কে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে ল...
অসীম সেন: আপাতত যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি কাটল। আবার একে অপরের বাড়িতে রক্ষাকালী পুজোর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাবে। আবার একে অপরকে প্যাডের পাতায় চিঠি লিখে কুশল বিনিময় করবে। আবার তর্কে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে লাস্ট বেঞ্চাররা। সাঁইবাড়ির ভাতে মাখানো হবে বি পজেটিভ। দু দফায় ভোট শেষ। কেউ কখনও ভেবেছিল মানুষ নব্বই শতাংশের ওপর ভোট দেবে? এবারে সেটাও দেখে ফেলল বাংলা। পরিযায়ী শ্রমিকরা ঝোলা উপুড় করে ভোট দিলেন। এসআইআর কাঁচিতে বাদ পড়ারা বাদে মোটের ওপর সবাই ভোট দিল।
এবার প্রশ্ন হল হাওয়া মোরগ কোনদিকে ঘুরবে? ধরে নেওয়া যাক, বাংলার মহিলারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চাইলেন না। তা বলে কি বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী হতে চলেছে নাকি লক্ষ্মীভাণ্ডার শুধু তোলা থাকবে কুলুঙ্গিতে? বিহারে নাকি সরকারি কর্মচারীদের একাংশের বেতন বন্ধ? একই ছবি উত্তর প্রদেশেও। বাইরের ডবল ইঞ্জিনে যা হওয়ার হোক, তবে বাংলায় বেকার যুবকদের হাজার হাজার টাকা দেওয়া হবে। লক্ষ্মীর থেকে অন্নপূর্ণা এগিয়ে থাকবে। মেয়েরা ড্যাং ড্যাং করে বাসে উঠবে বিনে পয়সায়। চাকরির বয়স বাড়িয়ে দেওয়া হবে। যাকে বলে রামরাজত্ব। কমলায় নিত্য করে থমকিয়া থমকিয়া।
স্বপ্নে যখন লুচি খাওয়া হচ্ছেই তাহলে বাকিরাই বাদ থাকে কেন? যেই লঙ্কায় যাক না কেন একটি বিষয় পরিষ্কার, খেটে খাওয়া মানুষদের না খেটে পাওয়া টাকা-পয়সা বন্ধের সাহস দেখাবে না কেউই। বাংলার অনেক ওপরের আকাশ দিয়ে গৃধ্রঃ গোল চক্কর খাচ্ছে। নীচে ঝলসানো চাঁদ হাতে বসে আছে ন্যালা, প্যালা, গোপলারা। ডিয়ার লটারির আচ্ছে দিন আসতে চলেছে কিনা বলা যাচ্ছে না এখনই। সঞ্জীব গোয়েঙ্কার মিটার কি আরও জোরে ঘুরবে? দেওয়ালের ছবি হয়ে ঝুলছেন লেনিন কিংবা শ্যামাপ্রসাদ। বাংলা আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লভে। কে জানে বাবা কবে?