মহাকুম্ভ শুরর দিন থেকে দেশ-বিদেশের একাধিক পুণ্যার্থীরা ভিড় জমিয়েছে প্রয়াগরাজে। সেই ছবি বারবার ধরা পড়েছে। অন্যদিকে অশান্তির আগুনে জ্বলছে পদ্মাপাড়। বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর অরাজকতার সৃষ্টি করেছ...
মহাকুম্ভ শুরর দিন থেকে দেশ-বিদেশের একাধিক পুণ্যার্থীরা ভিড় জমিয়েছে প্রয়াগরাজে। সেই ছবি বারবার ধরা পড়েছে। অন্যদিকে অশান্তির আগুনে জ্বলছে পদ্মাপাড়। বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর অরাজকতার সৃষ্টি করেছে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। ধীরে ধীরে নৈরাজ্যের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে পদ্মাপাড়ে। এরই মধ্যে সম্প্রতি ধানমন্ডিতে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়ার পর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। লুঠ হয়েছে জাতির পিতা মুজিবের বাড়ির জিনিসপত্রও। ভারতের সঙ্গে বারবার শত্রুতা তৈরি করেছে ইউনূসপন্থীরা। এই আবহে প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলা প্রাঙ্গনে হাজির হয়েছে বাংলাদেশি শিল্পীরা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
জানা গিয়েছে, প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভে একটি আন্তর্জাতিক নাচ-গানের উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আজ ২২ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ও আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) দুই দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান চলবে। বিশ্বের একাধিক দেশের শিল্পীরা সেই অনুষ্ঠানে যোগদেন করেছেন। তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও। ইতিমধ্যেই পদ্মাপাড়ের বহু শিল্পী মহাকুম্ভে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য থেকে রাজনীতি। সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে নেট দুনিয়াতেও।
উলেখ্য, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার জারি রেখেছে ইউনূস সরকার। সেদেশে ভেঙে ফেলা হয়েছে বহু হিন্দু মন্দির। ভারত বিদ্বেষ সৃষ্টি করেছে পদ্মাপাড়ের অন্তর্বর্তী সরকার। তারই মধ্যে প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভে বাংলাদেশের শিল্পীদের আগমন কতটা তাৎপর্যপূণ সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে ওয়াকিবহল মহলে।