দূষণে জেরবার দিল্লি। ধোঁয়াশায় ঢেকেছে গোটা রাজধানী। বেলা বাড়লেও দিল্লির রাস্তায় ঘন ধোঁয়াশায় দেখা যাচ্ছে না কিছুই। দৃশ্যমানতা কম থাকায় প্রভাব পড়েছে বিমান ও ট্রেন চলাচলে। এমতাবস্থায়, দিল্লি বিমানবন্দরে...
দূষণে জেরবার দিল্লি। ধোঁয়াশায় ঢেকেছে গোটা রাজধানী। বেলা বাড়লেও দিল্লির রাস্তায় ঘন ধোঁয়াশায় দেখা যাচ্ছে না কিছুই। দৃশ্যমানতা কম থাকায় প্রভাব পড়েছে বিমান ও ট্রেন চলাচলে। এমতাবস্থায়, দিল্লি বিমানবন্দরে প্রায় ৩০০টি বিমানের সময় পিছিয়ে দেওয়া হল। চরম ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা। পাশাপাশি বন্ধ করা হয়েছে দিল্লির সমস্ত প্রাথমিক স্কুল। আগামী ৬ দিনও দিল্লির এমন বেহাল দশাই থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে IITM।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৬টার সময়ে দিল্লির আনন্দ বিহারে বাতাসের AQI পৌঁছে গিয়েছিল ৪৪১ পর্যন্ত। এছাড়াও বাতাসের মান খুব খারাপ পর্যায়ে গিয়েছে বাওয়ানা (৪৫৫), দ্বারকা সেক্টর (৪৪৪) এবং জাহাঙ্গিরপুরী (৪৫৮)তে। তার জেরে গত দুদিন ধরে ব্যাহত হয়েছে বিমান চলাচল। দূষণের মাত্রা মারাত্মক হওয়ায় একগুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে দিল্লির প্রশাসন।
ধোঁয়াশার চাদরে ঢেকেছে দিল্লি-সহ আশপাশের শহরও। কোথাও কোথাও শূন্যে নেমে গিয়েছে দৃশ্যমানতা। শম্বুক গতিতে চলছে যানবাহন। ৪১৮ থেকে সোজা ৪৫২-তে লাফিয়ে বেড়েছে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স।
বিমানের পাশাপাশি ব্যাপক প্রভাব পড়েছে ট্রেন চলাচলেও। বৃহস্পতিবার ১৭ ঘণ্টারও বেশি দেরিতে চলছে চেন্নাই-নয়াদিল্লি এক্সপ্রেস। সাড়ে ১৬ ঘণ্টা দেরিতে চলছে মাদুরাই-হজরত নিজামউদ্দিন সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস। আনন্দবিহার টার্মিনাল, হজরত নিজামউদ্দিন ও নয়াদিল্লি থেকে একাধিক ট্রেন গড়ে প্রায় ১০ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ছে। দিল্লির শহরতলির লোকাল ট্রেনও এক থেকে দেড় ঘণ্টা দেরিতে চলছে।
দূষণ নিয়ন্ত্রণে জরুরি ব্যবস্থা নিতে এখনই নারাজ দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই ।গ্র্যাপ-থ্রি পর্যায়ে নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা, স্কুলে জমায়েতে বিধিনিষেধ, প্রাইভেট গাড়ি রাস্তায় নামা নিয়ে একাধিক বিধিনিষেধ থাকে। মন্ত্রীর মতে, বাতাসের গতিবেগ কম থাকার কারণে ধোঁয়াশার পুরু আস্তরণ রয়েছে দিল্লিতে। এই পরিস্থিতি শীঘ্রই কাটবে বলে আশায় তিনি।