দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে পরতে পরতে রহস্য! যত দিন যাচ্ছে ততই একটার পর একটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। এই আবহে, পুলওয়ামাকাণ্ডের মুলচক্রীর স্ত্রীর সঙ্গে ধৃত চিকিৎসক শাহীনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলেই জানা গিয়েছে। যা...
দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে পরতে পরতে রহস্য! যত দিন যাচ্ছে ততই একটার পর একটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। এই আবহে, পুলওয়ামাকাণ্ডের মুলচক্রীর স্ত্রীর সঙ্গে ধৃত চিকিৎসক শাহীনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলেই জানা গিয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল। বাবরি মসজিদের ধ্বংসের দিনই অর্থাৎ ৬ ডিসেম্বর নাকি দিল্লির ৬ জায়গায় বিস্ফোরণের ছক ছিল সন্ত্রাসবাদীদের! এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই গোটা বিষয়টি নিয়ে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। বিস্ফোরণের ঘটনায় কিছু চিকিৎসকের নাম জড়িয়েছে। তাদের মধ্যে অনেককেই গ্রেফতারও করা হয়েছে। দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনাকে মূলত 'হোয়াইট কলার' টেরর ইকোসিস্টেম বলেই দাবি করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিস।
সূত্রের খবর, পুলওয়ামাকাণ্ডের মুলচক্রী ছিলউমর ফারুক। সে আদতে জইশ নেতা ছিল। সম্পর্কে মাসুদ আজহারের ভাগ্নে ছিল সে। তার স্ত্রী আফিরাহ বিবির সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ ছিল সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের। শাহীনের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। দিল্লি-কাণ্ডে এমন একটি বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। শুধু তাই নয়। তদন্তকারীরা যে তথ্য পেয়েছেন সেখানে জানা গিয়েছে, জইশ প্রধানের ছোট বোন সাদিয়ার সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে কাজ করত আফিরাহ বিবি। তাদের সঙ্গেই নিয়মিত ভাবে যোগাযোগ এবং কার্যকলাপের খোঁজ খবর নিতে শাহীন। একসময়ে পুলওয়ামাকাণ্ডে এনকাউন্টারে খতম করা হয়েছিল উমরকে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যার সময় দিল্লির লালকেল্লার মেট্রো স্টেশনের সামনে একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। তদন্তকারীদের অনুমান এমন ঘটনার পিছনে মাসুদ আজাহারের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর হাত রয়েছে। সূত্রের খবর, গোটা বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও অবধি জড়িত থাকার অভিযোগে তিন কাশ্মীরি চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাদের, মুজ্জাম্মিল শাকিল এবং উমর মহম্মদকে নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।