নেতাজির জন্মদিনে বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। এদিন নেতাজির জন্মজয়ন্তিতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে টুইট করেন রাহুল। সঙ্গে নেতাজির একটি ছবিও পোস্ট করেন সংসদের ব...
নেতাজির জন্মদিনে বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। এদিন নেতাজির জন্মজয়ন্তিতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে টুইট করেন রাহুল। সঙ্গে নেতাজির একটি ছবিও পোস্ট করেন সংসদের বিরোধী দলনেতা। আর এতেই সৃষ্টি হয় বিতর্কের। শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহল থেকে নেটিজেনদের মধ্যে। রাহুলের পোস্ট করা সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিতে নেতাজির জন্মদিন ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারির পাশাপাশি মৃত্যুদিন হিসেবে ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্টের উল্লেখ রয়েছে। আর এতেই শুরু হয়ে যায় শোরগোল।
প্রসঙ্গত জাপানের তাইহোকু বিমান বন্দরে সেদিনের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে আজও রহস্য রয়েছে। অনেক নেতাজি গবেষকই মনে করেন ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইহোকুতে কোনও বিমান দুর্ঘটনাই ঘটেনি। পুরোটাই মিথ্যা। কেউ কেউ বলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহেরুও বিষয়টা জানতেন। এই নিয়ে তিন তিনটি কমিশন গঠন করা হয়েছে, কমিশন রিপোর্টও দিয়েছে কিন্তু জনগণের ভাবাবেগ বলে কোনও সরকারই রিপোর্ট গ্রহণ করেনি। ফলে আজও সুভাষ ঘরে ফেরে নাই। চিরকালের জন্য অন্তর্ধান হয়ে গেছেন তিনি। এই বিষয়ে শেষ তৈরি মুখার্জি কমিশনের রিপোর্টেও পরিষ্কার বলা আছে তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি নেতাজির, তার মৃত্যুর দিন নিয়ে কোনও তথ্য নেই সরকারি ভাবে।
রাহুল গান্ধির এই টুইট বাঙালি ভাবাবেগের উপর আঘাত বলে এদিন বর্ণনা করেন ফরোয়ার্ড ব্লকের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দেবরাজন। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদের পাশাপাশি রাহুলকে নিজের পোস্ট উইথড্র করতে হবে বলে জানিয়ে কংগ্রেস দফতরে এবং রাহুল গান্ধিকে মেইল ও এসএমএস করেন তিনি। দেবরাজন বাবু আরও বলেন 'রাহুল গান্ধিকে মুখার্জি কমিশনের তথ্য দেখতে অনুরোধ করবো। যেখানে পরিষ্কার বলা আছে তাইওয়ানের কোন বিমান দুর্ঘটনা হয়নি, রেনকোজি মন্দিরের চিতা ভস্ম নেতাজির নয়'। রাহুলের নেতাজির মৃত্যুদিন নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে টুইটের তীব্র বিরোধিতা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।