অবশেষে সইফ হামলা-কাণ্ডে গ্রেফতার খুকুমণি। সোমবার নদিয়া জেলায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে সইফ হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। অভিযোগ, খুকুমণির সঙ্গে সইফের হামলার ঘটনার মূ...
অবশেষে সইফ হামলা-কাণ্ডে গ্রেফতার খুকুমণি। সোমবার নদিয়া জেলায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে সইফ হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। অভিযোগ, খুকুমণির সঙ্গে সইফের হামলার ঘটনার মূল অভিযুক্ত শরিফুলের যোগ রয়েছে।তবে খুকুমণির সঙ্গে শরিকুলের কী সম্পর্ক? তা নিয়ে দ্বন্ধে রয়েছে পুলিস।
পুলিস সূত্রে খবর, বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খানের উপর হামলার ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় শরিফুল ইসলাম শেহজাদকে। ধৃত হামলাকারী শরিফুলের সূত্রে খুকুমণি নামে নদিয়ার এক তরুণীর হদিশ পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেই খুকুমণির খোঁজে নদিয়ার চাপড়ায় হানা দেন তাঁরা। শেষমেশ চাপড়া অঞ্চল থেকেই পুলিসের জালে ধরা পড়ে ওই মহিলা। এই মহিলার সাহায্যেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে পা দেয় শরিফুল। গ্রেফতার হওয়া মহিলা আসলে মুর্শিদাবাদের আন্দুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেফতার হওয়া মহিলাকে মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, ঘটনার সাত মাস আগে মেঘালয়ের ডাউকি নদী পথ পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল এই শরিফুল। অসম হয়ে চিকেন নেক রাস্তা ব্যবহার করে ঢুকে পড়েছিল শিলিগুড়িতে। সেখানে বেশ কয়েকদিন থেকে স্থানীয় খুকুমণি জাহাঙ্গির শেখ নামের এক মহিলার আধার সিম কার্ড ব্যবহার করছিল সে। তারপর কাজের খোঁজে মুম্বইয়ে গিয়ে সইফের বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে ঢুকেছিল সে। বাধা পেয়ে খোদ অভিনেতাকেই ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে। মূলত হামলার ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় খুকুমণি নামের ওই মহিলাকে।
গত ১৫ জানুয়ারি, বুধবার মধ্যরাতে অভিনেতার বান্দ্রার বাড়িতে চুরি করতে ঢোকে চোর। শব্দ পেয়ে প্রথমেই ঘুম ভেঙে যায় সইফের বাড়ির পরিচারিকার। তিনি চিৎকার করে উঠলে সঙ্গে সঙ্গে ঘুম ভেঙে যায় অভিনেতারও। ঘর থেকে বেরিয়ে আসতেই ওই দুষ্কৃতীর মুখোমুখি হতেই অভিনেতাকে একাধিকবার ছুরির কোপ মেরে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী। জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পতৌদির নবাব সইফ আলি খানকে। বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ। বাড়ি ফিরেছেন অভিনেতা। ঘটনার দিন রাতে ঠিক কি ঘটেছিল, তা শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা? তা এখনও জানা যায়নি।