চোপড়াকাণ্ডে নয়া মোড়। ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে নির্যাতিত মহিলা। অভিযোগ, তাঁর বিনা অনুমতিতে রাস্তা ফেলে মারধরের ঘটনার মূহুর্ত সমাজ মাধ্য়মে প্রকাশ করা হয়েছে। সালিশি সভাকাণ্ডে সিপিএম নেতা মহ...
চোপড়াকাণ্ডে নয়া মোড়। ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে নির্যাতিত মহিলা। অভিযোগ, তাঁর বিনা অনুমতিতে রাস্তা ফেলে মারধরের ঘটনার মূহুর্ত সমাজ মাধ্য়মে প্রকাশ করা হয়েছে। সালিশি সভাকাণ্ডে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম এবং বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে চোপড়া থানায়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা মহিলা গত ৩০ শে জুন চোপড়া থানায় তাঁর ভিডিও ভাইরাল করার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। সেদিন রাতেই ওই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর নথিভুক্ত হয় চোপড়া থানায়। এফআইআর নম্বর ৪৪৬/২৪ এবং তারিখ ১/৭/২৪। অমিত মালব্য এবং মহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে আইটি অ্য়াক্ট ৬৬এ, ৬৬ই এবং ৬৭ এ ধারায় মামলা করেছে পুলিস। এই মামলার নথি সামনে আসতেই ফের চর্চা শুরু হয় চোপড়া নিয়ে। যা নিয়ে উঠছে পুলিস প্রশাসনের কার্যকলাপ নিয়েও প্রশ্ন। এখন প্রশ্ন উঠছে চোপড়ার ওই নির্যাতিত মহিলা কি আদৌ নিজের ইচ্ছেতে কথা বলছেন? নাকি তাঁকে দিয়ে কোনওভাবে জোরজুলুম করে বলানো হচ্ছে?
গত ৩০ শে জুন চোপড়ায় ধৃত জেসিবি-র দাদাগিরি ভিডিও প্রকাশ্য়ে আসেন। সেই ভিডিওয়োতে দেখা গিয়েছে, এক যুগলকে রাস্তায় ফেলে বাঁশের ছড়ি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। আর তাঁদের গোল করে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য় মানুষ। যারা জেসেবির ভয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার আগেই বিয়ে হয়েছিল। পরে গ্রামের এক ব্য়ক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। যার জন্য়ই ডাকা হয়েছিল সালিশি সভা। অভিযোগ, সেখানে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয় ওই যুগলকে। যেই ঘটনার দৃশ্য রীতিমত ভাইরাল সমাজ মাধ্য়মে।
এরপর সেই ঘটনার ভিডিও পোস্ট করেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম লেখেন, “সালিশি সভার নামে অপরাধের বিচার করে শাস্তি দিচ্ছে তৃণমূলের পোষা গুন্ডা। যার নাম তাজামুল হোক ওরফে জেসিবি। যদিও সেই ভিডিওয়োর সত্য়তা যাচাই করেনি সিএন ডিজিটাল। কিন্তু ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই এ নিয়ে শোরগোল ওঠে রাজ্যে। সেই ভিডিয়োটি শেয়ার করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিতও। সূত্রের খবর, সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক ও বিজেপি নেতা ও অমিত মালব্য অত্যাচারের ভিডিও ভাইরাল করেছেন। আর তাতে নির্যাতিতা মহিলার সম্মানহানি হয়েছে। সেই কারণেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।