ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তে গিয়ে অভিযুক্তদের হাতে আক্রান্ত পুলিস। উত্তর২৪ পরগণার হাসনাবাদের খরমপুর এলাকার ঘটনা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতার ২। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।ফের দুষ্কৃতীদের হাতে ...
ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তে গিয়ে অভিযুক্তদের হাতে আক্রান্ত পুলিস। উত্তর২৪ পরগণার হাসনাবাদের খরমপুর এলাকার ঘটনা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতার ২। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।
ফের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত রাজ্য পুলিস। উত্তর২৪ পরগণার হাসনাবাদের খরমপুর এলাকার এক মহিলা স্থানীয় ১ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুরারিশা আউটপোস্টে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্তে নামে পুলিস। গভীর রাতে খরমপুর এলাকায় অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিস। মূল অভিযুক্তের বাড়িতে পৌঁছতেই অভিযুক্ত এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে পুলিসের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। মারধরের ফলে মুরারিশা আউটপোস্টের ইনচার্জ সহ ৯জন পুলিস আহত হন। খবর পেয়ে, ঘটনাস্থল থেকে তাঁদেরকে উদ্ধার করে টাকি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে,প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর হাসনাবাদ থানার বিশাল পুলিসবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারধরের ঘটনায় ২জনকে গ্রেফতার করে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।
এবিষয় স্থানীয় তৃণমূল নেতা এসকেন্দার গাজী দোষীদের শাস্তির বিষয়ে আওয়াজ তোলেন। পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে এবিষয় যোগাযোগ করা হলে তাঁদের মন্তব্য, পুলিসের রাজনীতির রঙ না দেখে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিৎ। এখন প্রশ্ন হল রাজ্যে বারংবার পুলিস আক্রান্তের ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। রাজ্যের পুলিস প্রশাসন যদি নিজেদেরই সুরক্ষা প্রদানে ব্যর্থ হয়,তবে সাধারণের সুরক্ষা কোথায়?