তাহলে কি এবার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে পাকিস্তানের অন্দরে? এমনই প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। ভারতের কাছে বারংবার হেরে 'ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা' পাকিস্তানের। সম্প্রতি পাক প্রধানমন্ত্র...
তাহলে কি এবার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে পাকিস্তানের অন্দরে? এমনই প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। ভারতের কাছে বারংবার হেরে 'ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা' পাকিস্তানের। সম্প্রতি পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছেন। তাঁর দাবি, 'সব রকম সমস্যার সমাধানে আমরা রাজি। কোনরকম সংঘর্ষে না গিয়ে ভারতের সঙ্গে শান্তির আলোচনায় বসতে চাই।' সূত্রের খবর, এই আবহে শরিফের সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান! যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সেদেশের রাজনৈতিক মহলে।
সূত্রের খবর পিটিআই নেতা তথা প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান সমাজমাধ্যমে বহু বিষয়ে মন্তব্য করে থাকেন। তবে বর্তমানে তিনি জেলবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। তাহলে প্রশ্ন উঠছে ইমরান খানের হয়ে কে বা কারা সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন? তবে সেই বিষয়ে আপাতত কিছু জানা যায়নি। বলাবাহুল্য এই বিষয়ে কিছ জানায়নি ইমরান খানের দল। তবে সম্প্রতি ইমরান খানের সেই অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়, 'সবাই নিজেদের মতন করে প্রস্তুত থাকুন। দেশজুড়ে বড় আন্দোলন হবে। আর সেটা খুব তাড়াতাড়ি হবেই।'
প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওতে পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি কারোর অজানা নয়। 'অপারেশন সিঁদুর'র মধ্যে দিয়ে ইসলামাবাদকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত। সংঘর্ষবিরতি হয়ে যাবার পরও সেই নিয়ম লঙ্ঘন করে হামলার চেষ্টা করেছে নির্লজ্জ পাকিস্তান। তবে ভারতের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষার সামনে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে পাক দেশ। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরমে উঠেছে ভারত-পাক সম্পর্ক।