বাংলাদেশে নির্বাচনের দিনেও আক্রান্ত হতে হল সাংবাদিককে। নোয়াখালির হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালি এলাকায় মিরাজউদ্দিন নামে এক সাংবাদিকের উপর হামলা চালান হয়েছে বলে খবর সূত্রের। তাঁর মাথায় ও পিঠে ধারাল...
বাংলাদেশে নির্বাচনের দিনেও আক্রান্ত হতে হল সাংবাদিককে। নোয়াখালির হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালি এলাকায় মিরাজউদ্দিন নামে এক সাংবাদিকের উপর হামলা চালান হয়েছে বলে খবর সূত্রের। তাঁর মাথায় ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের কোপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় সাংবাদিকের সঙ্গে থাকা এক বাইক আরোহীও গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সকাল থেকে বাংলাদেশে মোটের উপর নির্বিঘ্নে নির্বাচন চললেও বেলা গড়ালে শুরু হয় অশান্তি। জায়গায় জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। গোপালগঞ্জ সদরেও এক ভোটেকেন্দ্রের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় আহত হন দুই নিরাপত্তার। এছাড়া এক ১৩ বছর বয়সী শিশুও জখম হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে কাদের মদতে এই ঘটনা গুলো ঘটছে তা এখনও স্পষ্ট না।
নির্বাচনের দিন সকালেই সমস্ত দেশবাসীর উদ্দেশ্যে অভয়বার্তা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। সকলকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদানের জন্য অনুরোধ করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেনাপ্রধানের আশ্বাসের পরেও একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটতে যায় সর্বত্র। এর মধ্যেই সাংবাদিকের দেখে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যেই আহত ওই সাংবাদিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে কী নির্বাচনের দিনও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করতে চেয়েছিল দুষ্কৃতীরা? উঠছে প্রশ্ন।