আর কত নিচে নামবে বাংলাদেশ! এই প্রশ্নই উঠছে বারবার। গত রবিবার থেকে শুরু হয়েছে রমজান মাস। আর এই রমজানকে কেন্দ্র করেই পদ্মাপাড়ে জারি হয়েছে একাধিক নির্দেশিকা। যা নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে...
আর কত নিচে নামবে বাংলাদেশ! এই প্রশ্নই উঠছে বারবার। গত রবিবার থেকে শুরু হয়েছে রমজান মাস। আর এই রমজানকে কেন্দ্র করেই পদ্মাপাড়ে জারি হয়েছে একাধিক নির্দেশিকা। যা নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত কিছুর অভিযোগ উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে। অনেকেই বলেছন ইউনূসপন্থীরা জোর করে নানান নির্দেশিকা জারি করেছে। যার মধ্যে বলা হয়েছে, রোজা চলাকালীন কোনও মহিলা বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবে না। একান্তই যদি যেতে হয় তবে মুখ ঢেকে যেতে হবে।
সূত্রের খবর, বাংলাদেশের মৌলবাদী কট্টরপন্থিরা একটার পর একটা নৈরাজ্যের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। রমজানকে কেন্দ্র করে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেখানে উল্লেখ আছে, 'ওই সময়ে কোনও দোকান খোলা যাবে না। কোনও চায়ের দোকাননেন আড্ডা দেওয়া যাবে না। মহিলারা দরকার ছাড়া বেরোতে পারবে না। যদি কেও এই নিয়ম ভঙ্গ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাই মাসে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবার পর বাংলাদেশে নৈরাজ্যের পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। একটার পর একটা অরাজকতার সৃষ্টি করেই চলেছে ইউনূসপন্থীরা। কিছুদিন আগেই ধানমন্ডিতে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়ার পর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। লুঠ হয়েছে জাতির পিতা মুজিবের বাড়ির জিনিসপত্রও। ভারতকে শত্রু বানিয়ে পাকিস্তানকে মিত্র বানাতে মরিয়া পদ্মাপাড়। এই আবহে পদ্মাপাড়ে রমজানে মাসের নতুন ফতেয়া অনেকেই ভালো চোখে দেখছে না।