সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র-যুব আন্দোলন ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশ। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল বাংলাদেশের স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বুধবার গো...
সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র-যুব আন্দোলন ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশ। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল বাংলাদেশের স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বুধবার গোটা বাংলাদেশ জুড়ে হামলা, সংঘর্ষ,বিক্ষোভ চলেছে দফায় দফায়। জানা গিয়েছে, রাজধানী ঢাকা-সহ সে দেশের বিভিন্ন শহর বৃহস্পতিবার বন্ধের চেহারা নিয়েছে। হাসপাতাল, সংবাদমাধ্যম এবং জরুরি পরিষেবা ছাড়া প্রায় সমস্ত বেসরকারি দফতর, দোকান-বাজার বন্ধ।
বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ বেআইনি শক্তি প্রয়োগ করেছে। জাতীয় সড়কগুলিতে আটকে রয়েছে হাজার হাজার যানবাহন। রাজধানী ঢাকার রাস্তাতেও পুলিশের গাড়ি আর অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া অন্য যানবাহনের উপস্থিতি নামমাত্র। জানা গিয়েছে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নিহত হয়েছে ছয়জন। যার মধ্যে রয়েছে বিরোধী দল বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চট্টগ্রাম শাখার সম্পাদক মহম্মদ ওয়াসিম। বুধবার রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল, সিলেট এবং কুমিল্লা থেকে অশান্তির খবর এসেছে।
ঘটনার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা বুধবার সন্ধ্যায় সরকারি টিভি এবং রেডিয়োতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বলেন, ‘‘আমি দ্ব্যর্থহীন ভাবে ঘোষণা করছি, যারা হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, এরা যেই হোক না কেন, তারা যেন উপযুক্ত শাস্তি পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৮-তেও সংরক্ষণ-বিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশ উত্তাল হয়েছিল। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট ৫৬ শতাংশ সংরক্ষিত এবং ৪৪ শতাংশ সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। এবার সমস্ত সংরক্ষণ বন্ধ কারার দাবি।