ফের কি তবে চিন-আমেরিকা বিবাদ? ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য কি পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যাবে বেজিংয়ের? এমনই প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। আমেরিকা থেকে সয়াবিন কেনা বন্ধ করছে চিন! না সরকারিভাবে এমন কোনও বিজ্ঞপ্...
ফের কি তবে চিন-আমেরিকা বিবাদ? ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য কি পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যাবে বেজিংয়ের? এমনই প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। আমেরিকা থেকে সয়াবিন কেনা বন্ধ করছে চিন! না সরকারিভাবে এমন কোনও বিজ্ঞপ্তি ও ঘোষণা এখনও অবধি করা হয়নি। তবে কিছু তথ্য থেকে কিছুটা হলেও ঠিক এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। কেন উঠছে এই প্রসঙ্গ? সূত্রের খবর, চিন প্রত্যেকবছরই আমেরিকার থেকে বিপুল পরিমাণের সয়াবিন আমদানি করে। তবে তথ্য বলছে বর্তমানে সেই পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। কারণ বরাত কমে গিয়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে। তবে এমনটাই যদি বাস্তবায়িত হয় তাহলে যে মার্কিন কৃষকদের এক বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে, সেই নিয়ে সন্দেহের কোনও অবকাশ রাখছে না কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন বিদেশ দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, 'খুব শীঘ্রই ভিসা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হবে। এমন যাচাইকরণ প্রক্রিয়া খুবই জরুরি। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি ভিসা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে বলেই সম্ভাবনা রয়েছে।' পাশাপাশি বিগত কিছুদিন আগেই আমেরিকার বিভিন্ন সরকারি দফতরে গণছাঁটায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বেশ কিছু দফতর আছে যেমন, বিদেশ দফতর, সামাজিক সুরক্ষা দফতর, রাজস্ব বিভাগ এমন কিছু জায়গায় অনেকক্ষেত্রে পরিবর্তনের দাবি জানান হয়েছে। অভিযোগ, 'আগে থেকে কোনওকিছু না জানিয়ে, কোনরকম নোটিশ না দিয়েই এমন একটা বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প সরকার।
বিগত কিছুদিন আগেই রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছিলেন, 'একপ্রকার রাজনৈতিক এজেন্ডা শুরু করেছে আমেরিকা। যার মধ্যে নব্য ঔপোনিবেশিকতা নীতিকে হাতিয়ার করেছে ওরা। আদতে যে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতেই এহেন আচরণ করে চলেছে আমেরিকা। সেই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। যেসমস্ত দেশ এইসব ক্ষেত্রে আমেরিকাকে সমর্থন করছে না তাঁদের উপরেই চাপ তৈরি করছে ওরা। তবে এমন করে লাভের লাভ কিছুই নেই। শুল্কযুদ্ধ হোক কিংবা কোনও নিষেধাজ্ঞা, কোনওকিছুই বন্ধুরাষ্ট্রগুলির পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের যে অতীত তা মুছে ফেলতে পারে না এবং সেটা হবেও না।'