পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাত! 'সিঁদুর অভিযানের' মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিয়েছে ভারত। মুখ থুবড়ে পড়ে ইসলামাবাদ। ভারতের শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে কার্যত বিধ্বস্ত অবস্থা হয় পাকিস্...
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাত! 'সিঁদুর অভিযানের' মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিয়েছে ভারত। মুখ থুবড়ে পড়ে ইসলামাবাদ। ভারতের শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে কার্যত বিধ্বস্ত অবস্থা হয় পাকিস্তানের। সূত্রের খবর, এরই মধ্যে সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাক সেনার বোমাবর্ষণের ফলে প্রায় ৩০ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি তীব্র কটাক্ষ করল পাকিস্তানকে। ভারতের প্রতিনিধি পাক দেশের উপর সুর চড়িয়ে দাবি করেছেন, 'সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি দিনদিন পাকিস্তান বাড়িয়ে তুলছে। সাধারণ মানুষের উপর বোমা ফেলতেও পিছপা হচ্ছে না তারা। যা কোনও ভাবেই কাম্য নয়।'
জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই স্থানীয় এক সংবাদ মাধমে দাবি করা হয়েছিল, পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট ৮টি এলএস-৬ থেকে বোমা ফেলা হয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের তিরহা উপত্যকার মাত্রে দারা গ্রামে। তারপরেই বিকট আওয়াজের সঙ্গে ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়ে যায় গোটা এলাকা। ‘তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের নিকেশ করার উদ্দেশ্যেই ওই বোমা ফেলা হয়েছিল বলেই মত কূটনৈতিক মহলের একাংশের।
পাশাপাশি জানা যায়, সেই বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়, শিশু ও মহিলা-সহ ৩০ জন সাধারণ নাগরিকের। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি ছিল, 'ওই বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন একাধিক সাধারণ মানুষ। এমনকি ধ্বংসস্তুপের নিচে মানুষ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। ফলে পরে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানকে মোক্ষম জবাব দিতে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। যার জেরে ধ্বংস হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃতর একাধিক জঙ্গিঘাঁটি। লাগাতার চারদিন ভারতের প্রত্যাঘাতে শেষপর্যন্ত যুদ্ধ বিরতির দিকে এগোতে শুরু করে পাকিস্তান। তারপরই পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে শর্তসাপেক্ষে রাজি হয় ভারত। যদিও অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়নি বলে একাধিকবার দাবি জানান হয়েছে ভারত সরকারের তরফে।