'বাংলাদেশের জেলবন্দি আসামিরাও এবার ভোট দিতে পারবেন। খুব শীঘ্রই সেরকমই ব্যবস্থা করতে চলেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন!' সম্প্রতি সূত্র মারফত এমনই খবর পাওয়া গিয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল আন্তর্জাতিক ম...
'বাংলাদেশের জেলবন্দি আসামিরাও এবার ভোট দিতে পারবেন। খুব শীঘ্রই সেরকমই ব্যবস্থা করতে চলেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন!' সম্প্রতি সূত্র মারফত এমনই খবর পাওয়া গিয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল আন্তর্জাতিক মহল। একসময়ে ছাত্র আন্দোলেনের জেরে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর থেকেই দায়িত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। পদ্মাপাড়ে মহম্মদ ইউনূসের জমানা শুরু। আর তখন থেকেই ধর্ষণ, খুন, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং অরাজকতার মত ঘটনা জলভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশে। বিগত কিছুদিন ধরেই কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের আগেই ওপার বাংলায় সাধারণ নির্বাচন হতে পারে। জানা গিয়েছে, তবে তার আগেই হাসিনার দল আওয়ামী লীগের সমস্ত রাজনৈতিক সামাজিক কার্যকলাপের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার! এরই মধ্যে সাধারণ নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের নয়া সিদ্ধান্ত।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার মহম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, 'বাংলাদেশে আগামী যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন রয়েছে সেখানে বাংলাদেশেরই জেলবন্দি বিচারাধীন আসামি ও সাজাপ্রাপ্তরা ভোট দিতে পারবেন। খুব শীঘ্রই সেরকমই ব্যবস্থা করতে চলেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন।'
প্রসঙ্গত, ইউনূস সরকারের জামানায় বাংলাদেশের চিত্রটা একদম বদলে গিয়েছে। ব্যাপকমাত্রায় বেড়ে চলছে ধর্ষণ, খুন, সংখ্যালঘু অত্যাচারের মত অরাজকতার ঘটনা। হাসিনার দল তথা আওয়ামী লিগকে আগেই নিষিদ্ধ করেছে সেদেশের অন্তবর্তী সরকার। এমনকি হাসিনা তথা হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বারবার সুর চড়িয়েছে ইউনূস সরকার। আগেই বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলির উদ্দেশে বড় বিবৃতি জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার! যেখানে দাবি করা হয়, 'বাংলাদেশের যেকোনও সংবাদমাধ্যম সেটা প্রিন্ট, টেলিভিশন হোক কিংবা ডিজিটাল, যারাই হাসিনার বক্তব্য প্রচার করবে তাদেরকেই 'সন্ত্রাসবিরোধী আইনের' আওতায় ফেলা হবে। শুধু তাই নয়। সেই সমস্ত সংবাদমাধ্যমগুলির বিরুদ্ধে গুরুতর এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।' এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই পদ্মাপাড় জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল হইচই।
জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, 'বাংলাদেশের এক সরকারি পলিটেকনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারে আগুন! যেখানে আওয়ামী লিগ ও শেখ মুজিবর রহমান সম্পর্কিত বহু বই এবং আত্মজীবনী বইও জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এমন ঘটনা কে বা কারা ঘটাল? প্রশ্ন উঠছে। যা খুবই প্রাসঙ্গিক। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের অনেকেরই আশঙ্কা, 'এমন ঘটনার পিছনে ওপার বাংলার রাজনৈতিক দল জামাত ও বিএনপি'এর হাত থাকতে পারে।'