দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসের অধীশ্বর হওয়ার পরই আমেরিকাকে নিয়ে যে বেশ গভীরভাবে চিন্তিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! সেই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। তার প্রমাণ বহুবার মিলেছে। ক্ষমতায় এসেই আমেরিকাকে ঢেলে সাজাতে ব্...
দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসের অধীশ্বর হওয়ার পরই আমেরিকাকে নিয়ে যে বেশ গভীরভাবে চিন্তিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! সেই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। তার প্রমাণ বহুবার মিলেছে। ক্ষমতায় এসেই আমেরিকাকে ঢেলে সাজাতে ব্যস্ত তিনি। অভিবাসন নীতি ও শুল্কনীতি নিয়ে বেশ কড়াকড়ি ট্রাম্প প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ভারত ও রাশিয়া সহ বহু দেশের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা। নেপথ্যে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও শুল্কবাণ। পাশাপাশি আগেই অবৈধ অভিবাসীদের আমেরিকা থেকে বিতাড়িত করতে শুরু করেছে হোয়াইট হাউস প্রসাশন। এই আবহে ভিসা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে কড়াকড়ি মার্কিন প্রশাসন! যার ফলে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের অনুমান, এমন প্রকিয়ায় যদি কাজ শুরু হয় তাহলে আগামী দিনে হয়ত আমেরিকার অনেক অভিবাসীরই ভিসা বাতিল হতে পারে।'
সূত্রের খবর, সম্প্রতি মার্কিন বিদেশ দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, 'খুব শীঘ্রই ভিসা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হবে। এমন যাচাইকরণ প্রক্রিয়া খুবই জরুরি। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি ভিসা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে বলেই সম্ভাবনা রয়েছে।' পাশাপাশি বিগত কিছুদিন আগেই আমেরিকার বিভিন্ন সরকারি দফতরে গণছাঁটায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বেশ কিছু দফতর আছে যেমন, বিদেশ দফতর, সামাজিক সুরক্ষা দফতর, রাজস্ব বিভাগ এমন কিছু জায়গায় অনেকক্ষেত্রে পরিবর্তনের দাবি জানান হয়েছে। অভিযোগ, 'আগে থেকে কোনওকিছু না জানিয়ে, কোনরকম নোটিশ না দিয়েই এমন একটা বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প সরকার।
বিগত কিছুদিন আগেই রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছিলেন, 'একপ্রকার রাজনৈতিক এজেন্ডা শুরু করেছে আমেরিকা। যার মধ্যে নব্য ঔপোনিবেশিকতা নীতিকে হাতিয়ার করেছে ওরা। আদতে যে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতেই এহেন আচরণ করে চলেছে আমেরিকা। সেই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। যেসমস্ত দেশ এইসব ক্ষেত্রে আমেরিকাকে সমর্থন করছে না তাঁদের উপরেই চাপ তৈরি করছে ওরা। তবে এমন করে লাভের লাভ কিছুই নেই। শুল্কযুদ্ধ হোক কিংবা কোনও নিষেধাজ্ঞা, কোনওকিছুই বন্ধুরাষ্ট্রগুলির পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের যে অতীত তা মুছে ফেলতে পারে না এবং সেটা হবেও না।'
পাশাপাশি ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরোধিতা করে রুশ প্রশাসনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছিলেন, 'আমেরিকা বারবার চাইছে বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে যাতে রাশিয়ার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে। তবে আমেরিকার একটা কথা মাথায় রেখে দেওয়া ভাল। গোটা বিশ্বের যে কোনও সার্বভৌম দেশের স্বাধীনভাবে বাণিজ্য করার এবং বাণিজ্যসঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার আছে।' এরই মধ্যে শুল্ক নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! গোটা পরিস্থিতি কোন দিকে এগিয়ে যাবে সেটাই এখন দেখার।