রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা। মহিলা বন দফতরের আধিকারিকের উদ্দেশ্যে করা কুমন্তব্য ঘিরে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে অখিল গিরিকে। অবশেষে দলের সিদ্ধান্ত মেনে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন অখিল গির...
রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা। মহিলা বন দফতরের আধিকারিকের উদ্দেশ্যে করা কুমন্তব্য ঘিরে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে অখিল গিরিকে। অবশেষে দলের সিদ্ধান্ত মেনে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন অখিল গিরি। হোয়াটসঅ্যাপে মুখ্যসচিবের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বলেই দাবি তাঁর। এরপরই অখিলের পদত্যাগ করা কারামন্ত্রী পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কে হবে কারাগার দফতরের মন্ত্রী তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে। সূত্র মারফত খবর, সেই তালিকায় রয়েছেন উত্তম বারিক ও রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। তবে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন উত্তম বারিক।
ওই মহিলা অফিসারের সঙ্গে অখিল গিরির এমন আচরণের কারণ কী? সেই প্রসঙ্গে বিধায়কের ব্যাখ্যা হল, পরিস্থিতি এমন তৈরি হয়েছিল, যার জন্য ওই ধরনের কথা বলেছেন তিনি। পদত্যাগ করার পর সিএন-এর মুখোমুখি হয়ে অখিল গিরি বলেন, “রেঞ্জ অফিসারের দুটো কথাতেই গ্রামবাসীরা রেগে যান। তিনি গ্রামবাসীদের গুণ্ডা বলেছেন। অথচ ওই গুণ্ডাদের পয়সাতেই উনি বেতন পান।” তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রিসভা থেকে চলে যাচ্ছি, তাতে কোনও ক্ষোভ নেই। কিন্তু উত্তেজনার বশে যে কথাটা বলে ফেলেছি, তার জন্য আমি অনুতপ্ত।” অখিল জানান, ২০১১ সাল থেকে তিনি মন্ত্রী ছিলেন না, তাই মন্ত্রিত্ব যাওয়াটা কোনও বড় ব্যাপার নয়।
আধিকারিকের কাছে কি ক্ষমা চাইবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে অখিল গিরি বলেন, কোনও আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই। তবে আমার আচরণে মন্ত্রিসভা যদি কালিমালিপ্ত হয়ে থাকে, সরকারের ভাবমূর্তি যদি নষ্ট হয়ে থাকে, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী হয়ে চিঠি লিখেছি। এখন দেখান তাঁর ছেড়ে আসা পদে কে বসেন? কাকে দেওয়া হয় কারামন্ত্রীর পদ?