আরজি কর যেতে কাদম্বিনীর আর ভালো লাগতো না। এমন কি ঘটছিল কাদম্বিনীর সঙ্গে আরজি করে? ও কি ভয় পাচ্ছিল? ও কি এমন কিছু জেনে ফেলেছিল? যার জন্য ওর চারপাশে তৈরি করা হয়েছিল ভয়ের বাতাবরণ? বিগত দিনে কী ঘটছিল কাদম...
আরজি কর যেতে কাদম্বিনীর আর ভালো লাগতো না। এমন কি ঘটছিল কাদম্বিনীর সঙ্গে আরজি করে? ও কি ভয় পাচ্ছিল? ও কি এমন কিছু জেনে ফেলেছিল? যার জন্য ওর চারপাশে তৈরি করা হয়েছিল ভয়ের বাতাবরণ? বিগত দিনে কী ঘটছিল কাদম্বিনীর সঙ্গে তা এখনও জানা না গেলেও, কাদম্বিনীর মায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যে উস্কে দিল এই প্রশ্নগুলো। যা আরও জোরালো হল কাদম্বিনীর বাবার মন্তব্যে। তিনি পরিষ্কার অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনায় ডিপার্টমেন্টের অসহযোগিতার কথা। সদ্য মেয়ে হারানো বাবার প্রশ্ন, ঘটনার পর বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও ডিপার্টমেন্টের কেউ কেন দেখা করলো না তাঁদের সঙ্গে?
সন্দীপ স্যার আপনি না কাদম্বিনীর নৃশংস হত্যার পর বারবার প্রমাণ করার চেষ্টা করছিলেন কাদম্বিনী আপনার মেয়ের মত। তাহলে মেয়ের এই করুণ পরিণতিতে তাঁর বাবা মায়ের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনও মনে করলেন না? এমনকি তাঁদের বললেন আপনার সঙ্গে দেখা করতে হলে আপনার অফিসে যেতে হবে? না একথা আমরা বলছি না সন্দীপ স্যার, আপনার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ কাদম্বিনীর মা ও বাবার।
আর বিনীত গোয়েল স্যার। আপনাকেও কিছু শোনানোর আছে। মেয়ের নির্মম পরিণতির জন্য ডিপার্টমেন্টে অসহযোগিতার সঙ্গে পুলিসেরও অসহযোগিতার কথাও যে সামনে এনেছেন কাদম্বিনীর বাবা, মা। আসলে রাগে, মিডিয়ার উপর সব দোষ চাপালেই কি সব সত্যিটা চাপা দেওয়া যায় স্যার?
মন খারাপ ছিল মেয়েটার, কাজে যেতে হত , তাই যাচ্ছিল। ও হয়তো আঁচ করছিল ওর চারপাশে নখ, দাঁত বের করে সমাজের মানুষরূপি হায়নারা অপেক্ষা করেছে। অপেক্ষা করছে, সুযোগ খুঁজছে ওকে একা পেয়ে রক্তাক্ত করার। আর তাই ঘটল।