যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অশান্তির জের! যার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নামেও দায়ের হয়েছে এফআইআর। সেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে অনান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও। এমন পর...
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অশান্তির জের! যার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নামেও দায়ের হয়েছে এফআইআর। সেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে অনান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও। এমন পরিস্থিতির মাঝে বিশেষ বৈঠক ডাকলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। যাদবপুর কাণ্ডে উপাচার্যের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যপাল। ইতিমধ্যেই সেই রিপোর্ট তাঁর কাছে এসে গিয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, তৈরি হয়েছে বিশেষ তদন্ত কমিটি। জরুরি ভিত্তিতে অন্য উপাচার্যদেরও ডেকেছেন বলে খবর।
অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনার পর থেকেই অসুস্থ উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত। বেড়ে গিয়েছে রক্তের মাত্রা। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন উপাচার্য। এখনও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত। সুতরাং তিনি ওই বৈঠকে আসতে পারবেন কিনা তা নিয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। তবে ওই ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে সব তথ্য চলে এসেছে বলে সূত্রের খবর।
গত শনিবার থেকে উত্তপ্ত হয়ে রযেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ওয়েবকুপার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শুরু হয় বাম এবং তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের তুমুল ধস্তাধস্তি। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়ি। ভেঙে দেওয়া গাড়ির ‘লুকিং গ্লাস’ও। ঘটনায় আহত হন ব্রাত্য বসু। চিকিৎসার জন্য তিনি চলে যান এসএসকেএম হাসপাতালে। পাল্টা পড়ুয়াদের দাবি, শিক্ষামন্ত্রী গাড়ি চাপা দিয়ে মারার চেষ্টা করেছে এক ছাত্রকে। তারই প্রতিবাদে সোমবার ধর্মঘট ডেকেছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপর হামলার ঘটনায় রীতিমতো নিন্দার ঝড় উঠেছে।