আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে অবস্থানে অনড় জুনিয়ার ডাক্তাররা। তিন তিনবার নবান্নের তরফে ইমেল মারফত চিঠি পাঠানো হয় আন্দোলনকারীদের। পাল্টা জুনিয়ার ডাক্তাদের পক্ষ থেকে শর্ত দিয়ে ইমেল করা হয় মুখ্যসচিবকে। ...
আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে অবস্থানে অনড় জুনিয়ার ডাক্তাররা। তিন তিনবার নবান্নের তরফে ইমেল মারফত চিঠি পাঠানো হয় আন্দোলনকারীদের। পাল্টা জুনিয়ার ডাক্তাদের পক্ষ থেকে শর্ত দিয়ে ইমেল করা হয় মুখ্যসচিবকে। এরপর ৩০ জন প্রতিনিধি নিয়ে নবান্নে যাওয়ার উদ্যোগ নেন জুনিয়ার ডাক্তাররা।
আজও, বৃহস্পতিবার প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে নবান্নের সভাঘরে অপেক্ষা করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আগে মুখ্যসচিবের তরফ থেকে ইমেল করে জুনিয়ার ডাক্তারদের বৈঠক আসার কথা জানানো হয়। সেখানে জুনিয়ার ডাক্তারদের ১৫ জন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার কথা উল্লেখ ছিল। কিন্তু গোটা পর্বের লাইভ স্ট্রিমিং দাবি রেখে ৩০ জন প্রতিনিধি নিয়ে হাজির হন জুনিয়ার ডাক্তাররা।
সাংবাদিক বৈঠকে মমতা স্পষ্ট বলেন, এই নিয়ে বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার হতে পারে না। কারণ, এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলছে। আমরা এমন কিছু করতে চাইনি, যাতে অচলাবস্থা চলতে পারে। চিঠিতে আমরা লিখেছিলাম, সরাসরি সম্প্রচার করতে পারব না। ওরা যে কোনও ইস্যু তুলতে পারতেন। সেটা ওঁরা পরে সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারতেন। প্রয়োজনে আমার দুপক্ষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারতাম।’
মমতা আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে কেউ বলতে পারে না, কোন অফিসার থাকবে, কোন অফিসার থাকবে না। খোলা মনে আলোচনা করতে গেলে কোনও শর্ত দিয়ে হয় না। আমাদেরও কাজ আছে। এই নিয়ে তিনদিন অপেক্ষা করলাম। ওঁরা কেন আসছেন না, সেটা সাংবাদিক বৈঠক করেও জানাতে পারতেন। তা করেননি।’ সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি। যে কোনও মৃত্যুই মর্মান্তিক। কিন্তু এত মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এর থেকে লজ্জার কী হতে পারে! মামলাটি এখনও বিচারধীন আছে। 'মানুষের স্বার্থে আমি পদত্যাগ করতে রাজি আছি। কিন্তু ওঁরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়।’