মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। বহু কাঠখড় পুড়িয়েও ভেস্তে গেল জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা...
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। বহু কাঠখড় পুড়িয়েও ভেস্তে গেল জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে জুনিয়র ডাক্তারদের লাইভ স্ট্রিমিং-এর দাবিকে মান্যতা না দেওয়া। যদিও আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের দাবি, তাঁরা শেষমেষ মুখ্যমন্ত্রীর পদের সম্মান দেখিয়ে সমস্ত শর্তে রাজি হয়েছিলেন, কিন্তু দেরি হয়ে গেছে জানিয়ে এক প্রকার সময়কে হাতিয়ার করে আবারও ভেস্তে গেল মুখ্যমন্ত্রী-আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
আন্দোলনকারীদের তরফে দেবাশিস হালদার জানালেন, “স্বচ্ছতা চেয়েছিলাম। আসার পর লাইভ স্ট্রিমিং চেয়েছিলাম। ওঁরা বলল, সম্ভব নয়। দুপক্ষকে ভিডিও করতে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাতেও রাজি হয়নি। ওঁদের করা ভিডিওর কপি চেয়েছিলাম যাতে বুঝতে পারি কোনও এডিট-ট্যাম্পারিং করা হয়নি। ওঁরা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ভিডিও দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বৈঠকের মিনিটস দেওয়া হবে। চেয়ারের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাতে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু যখন জানাতে গেলাম স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানালেন, অনেক দেরি হয়ে গেছে। আর হবে না। চলে যান।” অভিযোগ, রীতিমতো ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হল। মুখ্যমন্ত্রীকে আন্দোলনকারীদের প্রশ্ন, সদিচ্ছা কোন তরফের নেই?