রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বিশ্বজিৎ দাসের বিরুদ্ধে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার তার নামেই উঠল অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ। এমনকি অভিযোগ, ভারত থেকে বিভিন্ন দেশে যেমন দুবাই, চীন ইত্যাদি জায়গায় অর্থ স্থানান্তর...
রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বিশ্বজিৎ দাসের বিরুদ্ধে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার তার নামেই উঠল অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ। এমনকি অভিযোগ, ভারত থেকে বিভিন্ন দেশে যেমন দুবাই, চীন ইত্যাদি জায়গায় অর্থ স্থানান্তরের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ধৃত বিশ্বজিৎ। এর আগে ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাস এবং তাঁর বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় সংস্থার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দিয়েছিল ইডি।
অভিযুক্ত শংকর আঢ্যের একজন কর্মী ছিল বিশ্বজিৎ দাস। ২০০৯ সালে এমএস এসআর অটো ফিনান্স প্রাইভেট লিপিটেড থেকে চাকরি ছেড়ে দেয় বিশ্বজিৎ। এরপর সে তার নিজস্ব এফএফএমএস ফার্ম এমএস এড ফরেক্স প্রাইভেট লিপিটেড নামে ব্য়বসা শুরু করে। সে তার এজেন্টদের বিভিন্ন দেশে বসানোর জন্য নানা দেশে ভ্রমণ করত। যাতে এই এজেন্টরাই তাকে ভারত থেকে অন্য দেশে অর্থ স্থানান্তর করতে সহায়তা করতে পারে। সূত্রের খবর, এই অর্থ নয়ছয়ের কারণেই ধৃত বিশ্বজিৎ দাস নিজের নাম বদলে কোথাও কোথাও \'রাজীব দাস\' নাম ব্যবহার করে।
পাশাপাশি, ধৃত বিশ্বজিৎ দাসের দুবাইতে একটি ব্যবসা রয়েছে। যা বিশ্বজিৎ-এর দ্বারা ভারতে অর্থ স্থানান্তর জন্য ব্যবহার হত বলে অভিযোগ। শঙ্কর আঢ্য এবং বিশ্বজিৎ দাস বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘুষের মত অবৈধ কার্যকলাপ থেকে সৃষ্ট নগদ অর্থ পরিচালনা করত।