বিগত ৫০ বছরে বাংলার শিক্ষা তলানিতে পৌঁছেছে। নেপথ্য কারিগর দুই পূর্বতন সরকার। সিপিএম আমলে মাতৃ ভাষা বাংলা অবহেলিত হয়েছে। ইংরেজিও প্রায় লাটে তোলার জোগাড় করেছিল পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্ট নেতারা। বৃহস্পতিবার...
বিগত ৫০ বছরে বাংলার শিক্ষা তলানিতে পৌঁছেছে। নেপথ্য কারিগর দুই পূর্বতন সরকার। সিপিএম আমলে মাতৃ ভাষা বাংলা অবহেলিত হয়েছে। ইংরেজিও প্রায় লাটে তোলার জোগাড় করেছিল পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্ট নেতারা। বৃহস্পতিবার গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশনে অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে এভাবেই বামেদের তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে নিশানায় নিলেন তৃণমূল সরকারকেও। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে তোষণের রাজনীতির শিকার হয়েছে স্কুলের সিলেবাস।
আজ, গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশনে আরএসএসের শাখা সংগঠন বিবেকানন্দ বিদ্যা ভারতী বিকাশ পরিষদের বার্ষিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, কীভাবে বাম আমলে কম্পিউটার শিক্ষার বাধানিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। সেই সঙ্গেই তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় শিক্ষা ব্যবস্থাকে দূষিত করা হয়েছে। স্কুলের সিলেবাসে সিঙ্গুর থেকে টাটাকে তাড়ানোর কথা থাকলেও ছিল না শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদানের কথা। নাম মাত্র লেখা ছিল ক্ষুদিরাম বসু, মাতঙ্গিনী হাজরাদের প্রসঙ্গে। তাঁর কথায়, আকাশকে আসমান, জলকে পানি ভাষা দিয়ে সিলেবাস থেকে বিভাজন ঘটাতে চেয়েছিল প্রাক্তন সরকার।
যাদবপুর প্রসঙ্গে সরব হন শুভেন্দু। বলেন, 'বাংলা নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদের ভূমি। স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছেন। আর এই ভূমিতে আপনি বলবেন কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি! পহেলগাম হলে মিছিল হয় না আর অপারেশন সিঁদুর হলে বলেন, যুদ্ধ বন্ধ করুন। এগুলো আমাদের সহ্য করতে হবে? যাদবপুরের দেওয়ালে লিখবেন ফ্রি প্যালেস্টাইন? লিখুন ফ্রি পিওকে। সমর্থন করব।'