রাজ্যে ক্ষমতার পট পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বিপুল জনসমর্থন পেয়ে নতুন সরকার গঠন করেছে বিজেপি। যদিও সেই জনমত প্রথমে মেনে নিতে পারেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টে কমিশন ও ...
রাজ্যে ক্ষমতার পট পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বিপুল জনসমর্থন পেয়ে নতুন সরকার গঠন করেছে বিজেপি। যদিও সেই জনমত প্রথমে মেনে নিতে পারেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টে কমিশন ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন তিনি। যদিও তাতে কিছুই থেমে থাকেনি। এমতাবস্থায় গত দু'মাসে যখন তৃণমূল ভেঙে চুরমার, তখন অবশেষে হার স্বীকার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
দীর্ঘ ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসে বিজেপি। ধসে যায় তৃণমূল দুর্গ। এরপর ফলপ্রকাশের ৪৮ ঘণ্টা পর সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি হারেননি। কারচুপি করা হয়েছে। তাই এই ফল তিনি মানেন না। এমনকি রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দিতেও অস্বীকার করেছিলেন তিনি। সেই ঘটনার পর দু'মাস কেটে গিয়েছে। আজ, শনিবার অবশেষে হার স্বীকার করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানালেন নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। মনে করালেন কিছু পুরনো ইতিহাসও।
এদিন মমতা বলে, 'নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আপনিও তৃণমূল করেছেন বহু বছর। আগে কংগ্রেসও করেছেন। তবে আপনিও হেরেছেন। আপনার জন্য আমি প্রচারে গিয়েছিলাম। ওটা যদিও আমার দায়িত্ব ছিল। আপনি তৃণমূল সরকারের একাধিক দফতরের মন্ত্রী ছিলেন, ৬ জেলার দায়িত্বে ছিলেন। হলদিয়া ও দিঘা উন্নয়ন পর্ষদ আপনাদের হাতেই ছিল।' এরপরেই তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' নেতাদের প্রসঙ্গ তুলে কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, 'যারা আপনার সঙ্গে গেল তাঁরা সাধু হলে গেল। যারা গেল না, তাঁদের বিরুদ্ধে সিবিআই, আরও কতকিছু। মনে রাখবেন, সব ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া রয়েছে।'