দিন কয়েকবাদে প্যারিসে বসছে অলিম্পিকের আসর। টিভির পর্দায়, সংবাদপত্রে,ইউ টিউবে, ফেসবুকে অলিম্পিক ঘিরে একাধিক খবর দেখা ও পড়ার সুযোগ পাব আমরা সবাই। অলিম্পিকে ভারত যে বেশি পদক পাবে না সেটা আমাদের সবারই জ...
দিন কয়েকবাদে প্যারিসে বসছে অলিম্পিকের আসর। টিভির পর্দায়, সংবাদপত্রে,ইউ টিউবে, ফেসবুকে অলিম্পিক ঘিরে একাধিক খবর দেখা ও পড়ার সুযোগ পাব আমরা সবাই। অলিম্পিকে ভারত যে বেশি পদক পাবে না সেটা আমাদের সবারই জানা। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, “আমি ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৬ পরপর চারটি অলিম্পিক কভার করেছি। প্রথম তিনবার লস এঞ্জেলাস সিওল ও বার্সিলোনা, ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা একটি পদক পায়নি এমনকি যে হকি আমাদের গৌরব তাতেও আমরা সেমিফাইনালে উঠতে পারিনি। ১৯৯৬ সালে আটলান্টা অলিম্পিকে লিয়েন্ডার পেজ ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিল।”
একবার, ১৯৯৪ সালে প্যারিসে শতবর্ষীয় অলিম্পিক কংগ্রেস এর আসর বসেছিল। কংগ্রেস বিভিন্ন অলিম্পিক সংগঠন এবং স্টেকহোল্ডার ছাড়াও ক্রীড়াবিদ, কোচ, মিডিয়া পেশাদার, স্পনসরদের স্বাগত জানায় এবং বিভিন্ন অলিম্পিক আন্দোলন নিয়ে আলোচনা ও প্রতিফলন করে।
তাঁর আশ্বচর্য অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, ভারত তথা উপমহাদেশের একমাত্র সাংবাদিক হিসেবে অনুষ্ঠানে বলার জন্য সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। সভায় যে বক্তব্য রেখেছিলাম তার অংশবিশেষ তুলে ধরছি। “আমরা যখন উন্নয়নশীল বিশ্বে খেলাধুলার বিষয়ে যাই, তৃতীয় বিশ্বের প্রধান আশার উৎস হতে পারে এই সত্য যে, পশ্চিমারা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমাদের জন্য সর্বোত্তম কাজ করার জন্য যথেষ্ট সম্পদশালী। এবং অর্থই একমাত্র টোকেন হওয়ার দরকার নেই। সাহায্যের অর্থ গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ সঠিক বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা। এমনকি যদি আজ ভারতীয় ফুটবলে একজন রাজার এলোমেলো প্রশংসিত হয়, তবে এটি রাতারাতি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠবে না। তৃতীয় বিশ্বের ক্রীড়া সম্পর্কে সবচেয়ে তিক্ত সত্য হল যে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে হস্তক্ষেপ না করলে এটি চিরতরে মধ্যমতায় আটকে থাকবে।”
( প্রবীন ক্রিড়া সাংবাদিক শ্যামসুন্দর ঘোষের কলমে )