আরজি কর কাণ্ডের পর এই প্রথম চিকিৎসক সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে বিশেষ স্বাস্থ্য সচিব। সূত্রের খবর, বিশেষ স্বাস্থ্য সচিবের তরফ থেকে মেইল করে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরসকে বৈঠকে যোগদানের আবেদন জ...
আরজি কর কাণ্ডের পর এই প্রথম চিকিৎসক সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে বিশেষ স্বাস্থ্য সচিব। সূত্রের খবর, বিশেষ স্বাস্থ্য সচিবের তরফ থেকে মেইল করে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরসকে বৈঠকে যোগদানের আবেদন জানানো হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডক্টর কৌস্তব নায়েক, স্বাস্থ্য অধিকর্তা দেবাশীষ হালদার। এছাড়াও বৈঠকে যোগ দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম-এর অধীনে থাকা ৬ টি চিকিৎসক সংগঠন ও জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টকে। কিন্তু তারা এই বৈঠক বয়কটের কথা জানিয়ে দিয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুর তিনটে নাগাদ বৈঠক শুরু হবে। স্বাস্থ্য সচিব সূত্রের খবর, বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা,হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো নিয়ে।
আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদের পর থেকেই কর্মবিরতি রেখেছে জুনিয়র চিকিৎসক সহ একাধিক চিকিৎসক সংগঠনগুলি। ফলে সংকটে পড়েছে রোগীরা। যদিও চিকিৎসকদের বক্তব্য জরুরী বিভাগে পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ্য জুড়ে টানা কর্মবিরতির জেরে চাপে পড়েছে রাজ্য সরকার। এরপরই কি তাহলে এমন সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য দফতরের। সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধের পরেও কর্মবিরতি তুলে নিতে চাননি আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। ফলে সারা রাজ্যজুড়ে সংকটের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবা। আলোচনার মাধ্যমে যাতে এই সমস্যার সমাধান করা যায় তার জন্যই এই বৈঠকের ডাক বলে মত একাংশের।
কিন্তু যে সময়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে সেই সময় আজ দুপুর তিনটে নাগাদ ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন রাজ্য শাখার তরফ থেকে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। যার ফলে এই সময়টি তাঁদের পক্ষে যথোপযুক্ত নয় মিটিং-এর জন্য জানিয়েছেন একাধিক চিকিৎসক সংগঠন। সূত্রের খবর, জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট এই বক্তব্য মেইল করে বিশেষ স্বাস্থ্য সচিব ডঃ অনিরুদ্ধ নিয়োগকে জানিয়েছেন, যদিওবা স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের তরফ থেকে বৈঠকে যোগদানের আবেদন থাকতো। তাহলে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস, সাংগঠনিকভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিত,কোন সময়, কোন তারিখে তাঁরা বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
উল্লেখ্য, গতকাল, শুক্রবার আরজি কর কাণ্ডের তদন্তের গতিবিধি জানতে সিবিআইয়ের সঙ্গে দেখা করেন চিকিৎসক পড়ুয়াদের ১০ জনের প্রতিনিধি দল। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে এতগুলো দিন হয়ে গেলেও একজন মাত্র গ্রেফতার হয়েছে। প্রথম দিন থেকে বলা হচ্ছে এই ঘটনায় এক নয় একাধিক ব্যক্তি যুক্ত রয়েছে। তারপরও কেন এখনও পর্যন্ত আর কেউ গ্রেফতার হলেন না? যতদিন পর্যন্ত সঠিক তদন্ত করে মূল অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি হবে ততদিন জারি থাকবে।