আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো হুমায়ুন কবীর এদিন ১৫৩ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেন। এবং সেইসঙ্গে দাবি করলেন, ফল গণনার দিন দেখা যাবে জয়ের সংখ্যা ৩ অঙ্কে পৌঁছবে। অর্থাৎ, সদ্যোজাত এই দল ন্যূনতম ১০০ টি ...
আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো হুমায়ুন কবীর এদিন ১৫৩ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেন। এবং সেইসঙ্গে দাবি করলেন, ফল গণনার দিন দেখা যাবে জয়ের সংখ্যা ৩ অঙ্কে পৌঁছবে। অর্থাৎ, সদ্যোজাত এই দল ন্যূনতম ১০০ টি আসনে জয়ী হবে বিধানসভায়।
ভবানীপুরে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন অবাঙালি মুসলিম। হুমায়ুনের কথায়, "আমরা কোনও দলের বি-টিম নই। গতবছর ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল। আর এদিন, কলকাতা বা দিল্লির বদলে, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে রাজ্যের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা আরও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা"। জোট-প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, "কোনও বড় দলের সঙ্গে জোট হয়নি, এটুকু বলতে পারি"। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নিজের জেলা মুর্শিদাবাদ ও পাশের জেলা মালদহে বেশ কয়েকটি আসন মিম বা আইএসএফ-এর জন্য ছেড়ে রাখছেন হুমায়ুন। শুধু তা-ই নয়। পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ এমনটাও মনে করছেন, ঘোষিতভাবে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না-হলেও, অঘোষিত একটি জোট তৈরি হবে। এবার অধীর চৌধুরীর বিধানসভা কেন্দ্র বহরমপুরে জনতা উন্নয়নের প্রার্থী দাঁড় করালেও, হুমায়ুন মনেপ্রাণে চাইবেন, অধীর জয়ী হোন। কারণ, বাংলায় কংগ্রেসের মধ্যে যদি অধীরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে মুখর।
এছাড়া, কিছু আসনে অঘোষিতভাবে ও স্থানীয়স্তরে বামেদের সঙ্গেও জোটে যেতে পারে হুমায়ুনের দল। অবশ্যই প্রকাশ্যে নয়, তলে-তলে। সেখানে জনতা উন্নয়নের প্রার্থী থাকলেও দলের কর্মীরা বাম প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য সর্বশক্তি নিয়ে নামবে। কারণ, বামেরা শূন্য থাকলে আদতে তৃণমূলেরই লাভ।
আর বিজেপির সঙ্গে?
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ঘোষিত বা অঘোষিতভাবে বিজেপির সঙ্গে জোটে যাওয়ার প্রয়োজনই নেই হুমায়ুন কবীরের। কারণ, তাঁর উদ্দেশ্য তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ধস নামানো। যার ফলে পাটিগণিতের সহজ অঙ্কে বিজেপি-ই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।