ইতিমধ্যেই সিআইডির জালে কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুবোধ সিং। মূলত রানীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনাতেই সুবোধকে হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি। গত বুধবার সুবোধকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। আসানসোল আদালতের বিচারকের নির্দেশে ১৪ দিনের...
ইতিমধ্যেই সিআইডির জালে কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুবোধ সিং। মূলত রানীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনাতেই সুবোধকে হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি। গত বুধবার সুবোধকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। আসানসোল আদালতের বিচারকের নির্দেশে ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজত গ্যাংস্টার সুবোধের।
বিশাল নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দিয়ে বুধবার আসানসোল আদালতে নিয়ে আসা হয় বিহারের গ্যাংস্টার সুবোধ সিং কে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মোট ১২ টি রাজ্যে সুবোধ তার কোর মডেল গ্রুপ তৈরি করে চালাত নানান অসামাজিক কাজ কর্ম। পাশাপাশি অর্জুন সিং-র সঙ্গে তার যোগাযোগের খোঁজ পেয়েছে বলে দাবি সিআইডির। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে ২০ জানুয়ারি থেকে বেউরে জেলবন্দি সুবোধ। জেলবন্দি হয়েও কি ভাবে বাংলায় ডাকাতি খুনের ছক কষত সুবোধ ? জেলসুপারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তদন্তের সাপেক্ষে তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে সিআইডি। সুবোধের ফোনের কল লিস্ট খতিয়ে দেখে সমস্ত ডেটা বা তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন সিআইডি-র আধিকারিকরা। আসানসোল আদালতের নির্দেশে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তদন্ত এগোবে, জানাল সিআইডির আধিকারিক।
উল্লেখ্য, রানীগঞ্জের ডাকাতির ঘটনায় সুবোধ কে হেফাজতে নিলেও, একে একে রায়গঞ্জ ডাকাতি, টি রোডে গুলি ও ব্যারাকপুরের ব্যাবসায়ীকে হুমকি সমস্ত ঘটনায় সুবোধ যোগ ক্ষতিয়ে দেখছে সিআইডি। সুবোধ সিং কে আসানসোলের আদালতে আনার সময় ছিল কড়া নিরাপত্তা। লাগানো হয়েছিল ব্যারিকেড। আসানসোল দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিস কার্যত ঘিরে রেখে ছিল আদালত চত্বর।