ফের প্রকাশ্যে গুলি চলল ডানকুনিতে। এবার নিশানায় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোমবার রাতে ডানকুনি পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৯ নম্বর রেলগেট এলাকায় নিজের দোকান বন্ধ করে স্ত্রীকে বাইকে চাপিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ব্...
ফের প্রকাশ্যে গুলি চলল ডানকুনিতে। এবার নিশানায় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোমবার রাতে ডানকুনি পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৯ নম্বর রেলগেট এলাকায় নিজের দোকান বন্ধ করে স্ত্রীকে বাইকে চাপিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ব্যবসায়ী পার্থ দাস। অভিযোগ, সেই সময় দু’টি বাইকে চেপে আসা পাঁচজন দুষ্কৃতী তাঁদের পথ আটকায়।
স্থানীয় সূত্রে এবং ব্যবসায়ীর দাবি অনুযায়ী, দুষ্কৃতীরা প্রথমে তাঁদের বাইকে ধাক্কা মারে। ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়েন ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রী। এরপর ব্যবসায়ীর কাছে থাকা একটি ব্যাগ ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। বাধা দিতে গেলে একেবারে কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর দু’রাউন্ড গুলি চালায় তারা। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন পার্থবাবু। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি বাড়ির দেওয়ালে লাগে। গুলি চালিয়েই বাইকে চেপে দ্রুত এলাকা থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ডানকুনি থানার পুলিস। ঠিক কী কারণে গুলি চালানো হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, এটি নিছক ছিনতাইয়ের ঘটনা নাকি এর পিছনে পুরনো শত্রুতা বা ব্যবসায়িক বিবাদ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
সন্ধ্যার পর ব্যস্ত এলাকায় স্ত্রীর সামনেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা। ডানকুনির মতো জনবহুল এলাকায় রেলগেটের কাছে কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীরা অবাধে ঘোরাফেরা করছে, তা নিয়ে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় পুলিসি টহলদারি বাড়ানো জরুরি, বিশেষ করে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা নিয়মিত নিশানায় পরিণত হচ্ছেন। প্রকাশ্যে গুলি-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা সমাজে নিরাপত্তাহীনতার বাতাবরণ তৈরি করছে, যা অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপের দাবি রাখে।