এবার উত্তরপ্রদেশের মিরাঠের স্মৃতি ফিরল হুগলিতে। নীল ড্রাম থেকে উদ্ধার হল যুবকের গলা কাটা বিবস্ত্র দেহ। বুধবার সকালে ঘটনা জানাজানি হতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। মৃতের নাম, পরিচয় এখনও কিছুই জানা যায়ন...
এবার উত্তরপ্রদেশের মিরাঠের স্মৃতি ফিরল হুগলিতে। নীল ড্রাম থেকে উদ্ধার হল যুবকের গলা কাটা বিবস্ত্র দেহ। বুধবার সকালে ঘটনা জানাজানি হতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। মৃতের নাম, পরিচয় এখনও কিছুই জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠিয়েছে পুলিস। শুরু হয়েছে তদন্ত।
আজ সকালে ভদ্রেশ্বর থানার শ্বেতপুর এলাকার দিল্লি রোডের পাশে একটি বড় নীল ড্রাম পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে ড্রাম থেকে পা বেরিয়ে রয়েছে দেখেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পথচলতি মানুষ ও স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় শ্বেতপুর পুলিস ফাঁড়িতে। এরপর পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি খোলে। দেখা যায়, ড্রামের ভিতর রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবকের দেহ ভরা রয়েছে। তবে কীভাবে ওই দেহ সেখানে এল, তা এখনও জানা যায়নি। পাশাপাশি জানা যায়নি যুবকের পরিচয়ও। স্থানীয় সূত্রে দাবি, ওই যুবক এলাকার না। তবে কী যুবককে অন্য কোথাও খুন করে দেহ লোপাট করার জন্য দিল্লি রোডের পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল? প্রাথমিকভাবে তেমনটাই মনে করছে পুলিস। ইতিমধ্যেই আশপাশের থানা গুলিতেও খোঁজখবর শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আজকের এই ঘটনায় ফের একবার ফিরে এল উত্তরপ্রদেশের মিরাঠের খুনের আতঙ্ক। সেখানেও মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতকে তাঁর স্ত্রী ও স্ত্রীর প্রেমিক মিলে খুন করে দেহ নীল ড্রামে ভরে দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, কেউ যাতে কিচ্ছু টের না পায়, সেজন্য ড্রামের মুখ সিমেন্ট দিয়েও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সেই গোটা ঘটনার সাক্ষী ছিল সৌরভের ছোট্ট কন্যা। তার দৌলতেই এত বড় অপরাধের কথা জানতে পেরেছিল পুলিস। তবে কী হুগলির ঘটনাও শেষ পর্যন্ত সেই দিকেই মোড় নেবে? উঠছে সেই প্রশ্ন।