হেয়ার, হিন্দু, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্টের মতো সরকারি স্কুলের সেই গরিমা আজ আর নেই। সরকারপোষিত মিত্র ইনস্টিট্যুশন, বেলতলা বালিকা বিদ্যালয়ের অবস্থাও তথৈবচ। এমতাবস্থায়, 'ইংলিশ মিডিয়াম'ই একমাত্র বিকল্প ...
হেয়ার, হিন্দু, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্টের মতো সরকারি স্কুলের সেই গরিমা আজ আর নেই। সরকারপোষিত মিত্র ইনস্টিট্যুশন, বেলতলা বালিকা বিদ্যালয়ের অবস্থাও তথৈবচ। এমতাবস্থায়, 'ইংলিশ মিডিয়াম'ই একমাত্র বিকল্প হয়ে উঠেছে মধ্যবিত্তের কাছে। কিন্তু, সেখানে খরচ-খরচাও বিস্তর। মাঝেমধ্যেই বেতন বাড়ে আর অভিভাবকরা স্কুল গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান। তবু, 'ইংলিশ মিডিয়াম' ছাড়া গতি নেই।
এই পরিস্থিতিতে, দিল্লিতে ক্ষমতায় এসে আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি নিঃশব্দ বিপ্লব ঘটান। সরকার বা সরকারপোষিত স্কুলের পরিকাঠামো পাল্টে যায়। পড়াশোনার মান ও শিক্ষক নিয়োগের দিকে কড়া নজর রাখা হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, বেসরকারি 'ইংলিশ মিডিয়াম' স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কমে আসে!
এমতাবস্থায়, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে জয়ী হয়ে বিজেপি যদি রাজ্যপাট চালানোর সুযোগ পায়, এ-রাজ্যেও সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলের চেহারা পুরো পাল্টে যাবে বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
কী বলেছেন শুভেন্দু?
বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি স্কুল বা সরকারপোষিত স্কুলের অবস্থা এমন হবে যে, ছেলেমেয়েদের 'ইংলিশ মিডিয়াম' স্কুলে ভরতি করতে হবে না। দ্বিতীয়ত, চাকরির জন্য বাংলার বাইরে যেতে হবে না জেন-জেডকে। তৃতীয়ত, টাটা গোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগ করবে ও শিল্প গড়ে উঠবে।
তবে হ্যাঁ, সেইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর সতর্ক-বাণী, "হিন্দুরা জাগ্রত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোট দিন। ভোটের দিন ভালোমন্দ খেয়ে ছুটি কাটাবেন না। কেউ ধমকে দিয়ে গিয়েছে, তাই আর ভোট দিতে গেলেন না, এমনটা করবেন না। এটাই শেষ সুযোগ। অন্তত ৮৫ শতাংশ ভোট করুন। দেখবেন, সব বদলে গিয়েছে"।
কী বদলাবে?
শুভেন্দুর দাবি, "বাংলায় রতন টাটার কোম্পানি আসবে, শিক্ষিত যুবকদের বাইরে যেতে হবে না আর, সরকারি কর্মচারীরাও তাঁদের প্রাপ্য ডিএ পাবেন। সব হবে। বেকাররা হাসবে। সন্তানদের প্রাইভেট স্কুলে পাঠাতে হবে না, সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো এমনভাবেই পাল্টে দেবে বিজেপি"।