ট্যাব কাণ্ডে ধৃতদের জামিন করানোর জন্য টাকা চেয়ে উড়ো ফোন। প্রতারণার খপ্পরে প্রতারকদের আত্মীয়রাই। চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে।ট্যাব জালিয়াতি কাণ্ডে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিসের সাইবার শাখার হাতে গ্রেফতার হয়ে...
ট্যাব কাণ্ডে ধৃতদের জামিন করানোর জন্য টাকা চেয়ে উড়ো ফোন। প্রতারণার খপ্পরে প্রতারকদের আত্মীয়রাই। চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে।
ট্যাব জালিয়াতি কাণ্ডে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিসের সাইবার শাখার হাতে গ্রেফতার হয়েছে তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র সরকারের ছেলে শ্রবণ সরকার। গ্রেফতার হয়েছে পিন্টু শেখ সহ বহু জালিয়াত। মামলার তদারকি করতে পূর্ব বর্ধমানে পৌঁছেছেন ধৃতদের আত্মীয়রা। তাদের অভিযোগ, এর মধ্যে ধৃতদের জামিনে মুক্ত করানোর জন্য পূর্ব মেদিনীপুর থেকে টাকা চেয়ে ফোন এসেছে। জনৈক ব্যক্তি কখনও আইনজীবী, কখনও পুলিস হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছে। কারওর থেকে ১৮ হাজার, কারওর থেকে ১৬ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে ধৃতদের কারাবাসের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতারণা চক্রের খপ্পরে।
প্রশ্ন উঠছে, পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে ধৃতদের জন্য কেন পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ফোন? তাহলে কি রাজ্যে নতুন কোনও প্রতারণা চক্র সক্রিয়? নেপথ্যে কারা? ট্যাব কেলেঙ্কারি পর্দাফাঁস হতেই প্রতারণার নতুন পন্থা নিয়েছে প্রতারকরা?