চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে ধুন্ধুমার জয়নগরে। আবারও পুলিসের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুললেন সাধারণ মানুষ। উত্তেজিত জনতা থানা ঘিরে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।থানায় ভাঙচুরও করা হয়...
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে ধুন্ধুমার জয়নগরে। আবারও পুলিসের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুললেন সাধারণ মানুষ। উত্তেজিত জনতা থানা ঘিরে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।থানায় ভাঙচুরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। জয়নগরের মহিষমারিতে পুলিস ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে আগুন নেভাতে এলাকায় আসে দমকল। ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে র্যাফ নামানো হয়েছে। পাল্টা লাঠিচার্জ করেছে পুলিস। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলে সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিস।
জয়নগর থানা এলাকার চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, পুলিস ফাঁড়িতে সেই অভিযোগ জানাতে গেলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে বলা হয়, জয়নগর থানায় অভিযোগ জানাতে হবে। এরপর বাড়ির কাছেই জলাজমি থেকে উদ্ধার হয় সেই ছাত্রীর দেহ। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠিয়েছে পুলিস। সেই ঘটনার জেরেই চলছে বিক্ষোভ। জয়নগর থানার পুলিস তদন্ত নেমে সন্দেহভাজন এক যুবককে আটক করে। তাকে দফায় দফায় জেরা করার পর খুনের কথা স্বীকার। যদিও পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।
জনরোষ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান খোদ জয়নগর থানার আইসি। তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে বলেন, “আপনারা যা চাইছেন তাই হবে। আমি আইসি, আমি কথা দিচ্ছি, যে এই কাজ করেছে, তার শাস্তির ব্যবস্থা আমি করে দেব।” পুলিস ফাঁড়িতে যে অফিসার দায়িত্বে ছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এলাকার মানুষ ক্ষোভ উগরে বলতে থাকেন, ‘আমরা ফাঁসি চাই, ফাঁসি।’ আইসি তাঁদের বলেন, ‘তাই হবে। সেই ব্যবস্থা করে দেব।’