শীত পড়তেই একদিকে যখন হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। তখন আরও চিন্তা বাড়ছে ডেঙ্গির নতুন উপসর্গ মাল্টি সিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রোম। যার প্রভাব পড়ছে ফুসফুসে, হৃদযন্ত্রে। এছাড়া শ্বাসকষ্ট...
শীত পড়তেই একদিকে যখন হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। তখন আরও চিন্তা বাড়ছে ডেঙ্গির নতুন উপসর্গ মাল্টি সিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রোম। যার প্রভাব পড়ছে ফুসফুসে, হৃদযন্ত্রে। এছাড়া শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত জ্বর, হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া, তলপেটে ব্যথা, ডায়েরিয়া, বমি, রক্তচাপ কমে যাওয়া, শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি, সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকি মস্তিষ্কে দেখা যাচ্ছে এনকেফেলাইটিসের মতো উপসর্গও। চিকিৎসকদের একাংশের মতামত অনুযায়ী, এই ধরনের সমস্যাগুলি মনে করাচ্ছে করোনার উপসর্গের কথা। যারা এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তাদের প্রত্যেককেই নাকি ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রাখতে হচ্ছে এবং অনেকের ক্ষেত্রে ভেন্টিলেটর সিস্টেমেও দিতে হচ্ছে বলে জানান চিকিসক অজয় কৃষ্ণ সরকার।
এমতাবস্থায় ডিসেম্বরের শুরুতেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪। গত নভেম্বর মাসে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল একহাজার। সরকারি হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী ডেঙ্গি পজেটিভ ২২ হাজার ২৪৩ এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবের রিপোর্ট অনুযায়ী ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। মশাবাহিত রোগবৃদ্ধিতে চিন্তা বাড়ছে রাজ্য সরকারের। রাজ্যবাসীর স্বাস্থ্য সচেতনতায় ও মশা নিধনে প্রচারে খামতি রাখছে না রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।