রাত পোহালেই উঠে যাচ্ছে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞা উঠতেই সমুদ্রে যাওয়ার তোড়জোড় মৎস্যজীবীদের। আশাবাদী ইলিশ পাওয়ার ব্যাপারে। এ বছর ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে যেমন বৃষ্টি হয়েছে; সেইরকমই নিম্নচা...
রাত পোহালেই উঠে যাচ্ছে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞা উঠতেই সমুদ্রে যাওয়ার তোড়জোড় মৎস্যজীবীদের। আশাবাদী ইলিশ পাওয়ার ব্যাপারে। এ বছর ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে যেমন বৃষ্টি হয়েছে; সেইরকমই নিম্নচাপেও ভিজেছে বাংলা। ফলে, মৎস্যজীবীদের মতে, জলের রূপোলি শস্য পাওয়ার এটাই অনুকূল পরিস্থিতি। গত কয়েক বছর অবশ্য সেভাবে মৎস্যজীবীদের আশাপূরণ হয়নি। জালে ধরা পড়েনি ইলিশ। যদিও, শেষপর্যন্ত ইলিশ মেলা যে ভাগ্যের ব্যাপার স্বীকার করছেন মৎস্যজীবীরা।ইলিশে লক্ষ্মীলাভের আশায় মৎস্যজীবীদের সংগঠনও।
জেলা মৎস্য দফতর সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবার, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, কাকদ্বীপ, রায়দিঘি, পাথরপ্রতিমা সহ একাধিক জায়গায় নজরদারি শুরু হয়েছে। ছোট, বড় সব মিলিয়ে এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রায় ৪ হাজার ট্রলার সমুদ্রে পাড়ি দেবে। ট্রলার ডুবি ঠেকাতে প্রত্যেকটিতে সর্বোচ্চ ১৫ জন মৎস্যজীবী রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রয়েছে বিপদসঙ্কেত যন্ত্র বা ড্যাট, বয়া, লাইফ জ্যাকেট। এছাড়াও ট্রলারগুলি চালানোর জন্য মজুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল।
উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকলেও, এখনও বঞ্চিত দক্ষিণ। বর্ষা পুরোপুরি ঢোকার আগেই শুরু ইলিশের সন্ধান। প্রকৃতি প্রচুর আশা জুগিয়েছে মৎস্যজীবীদের। পর্যাপ্ত পরিমাণে জলের রূপোলি শস্য শিকারের আশা মৎস্যজীবীদের পূরণ হয় কি না সেটাই এখন দেখার।