ভোট মিটতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে সন্ত্রাসের এমনই ছবি। কোথাও লুঠপাট, কোথাও মারধর। আতঙ্কে থরহরিকম্প বিজেপি কর্মীরা। ছাড় মেলেনি বিজেপি সমর্থক ব্যবসায়ীর আইসক্রিমের ফ্রিজারেও। ভাঙচুর করা হয়েছে ...
ভোট মিটতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে সন্ত্রাসের এমনই ছবি। কোথাও লুঠপাট, কোথাও মারধর। আতঙ্কে থরহরিকম্প বিজেপি কর্মীরা। ছাড় মেলেনি বিজেপি সমর্থক ব্যবসায়ীর আইসক্রিমের ফ্রিজারেও। ভাঙচুর করা হয়েছে বিজেপি কর্মীর টোটোও। শুধু বিজেপি কর্মীরা বসে চা খায় বলে লুঠপাট চালানোর অভিযোগ উঠল চায়ের দোকানেও। সব ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে।
পরিস্থিতি সরেজমিনে রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় গেলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন ক্যানিংয়ের সাতমুখীতে বিজেপি কর্মী উত্তম নস্করের আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। অভিযোগ তৃণমূলের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই মেলেনি উত্তমের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও বৃদ্ধ বাবার। আশ্বাস দেন তাদের পাশে থাকার।
সুকান্ত মজুমদার যান ক্যানিংয়ের অন্যান্য জায়গাতেও। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে অভিযোগ শোনেন। সাফ জানালেন, বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি কেন্দ্র সরকারকে জানাবেন। প্রয়োজনে বছর ভর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক। জারি করা হোক ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা। হামলার অভিযোগ অবশ্য মানতে চায়নি তৃণমূল।
ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে আক্রান্ত হয়ে বারুইপুরে বিজেপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে। সেইরকমই একজন কুলতলির মিলন নস্কর। লোকসভা নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট হিসেবে বসেছিলেন। অভিযোগ, বিজেপির পোলিং এজেন্ট হিসেবে বসায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করে মিলনকে। তার মাথায়, ঘাড়ে আঘাত লেগেছে। বারুইপুরের কার্যালয়ে গিয়ে মিলনকেও দেখেন সুকান্ত মজুমদার। কথা বলেন হিংসায় আক্রান্ত অন্যান্যদের সঙ্গেও। তাদের আশ্বস্ত করেন। '২১-র বিধানসভার পর'২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের পরেও বাংলায় ফিরল ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পরিস্থিতি। বাংলায় ভোট আর সন্ত্রাস কি সমার্থক হয়ে উঠেছে?