স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার। কিন্ত স্বপ্ন দেখতে দেখতেই পৃথিবী ছাড়লেন দিনহাটা ওকরাবাড়ি অঞ্চলের ডাঙা গ্রামের বাসিন্দা ও ২০২২ এর প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থী অসীম বর্মন। দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও ম...
স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার। কিন্ত স্বপ্ন দেখতে দেখতেই পৃথিবী ছাড়লেন দিনহাটা ওকরাবাড়ি অঞ্চলের ডাঙা গ্রামের বাসিন্দা ও ২০২২ এর প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থী অসীম বর্মন। দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও মেলেনি ইন্টারভিউ নোটিস। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে গেলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা বলে দাবি সহযোদ্ধাদের।
জানা যায়, ২০২২-এর প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা প্রায় দেড় লক্ষ। কিন্তু পাশ করেও মেলেনি চাকরি। রোদ-ঝড়-বৃষ্টিতে ধর্মতলায় ধরনায় হবু শিক্ষকরা। হকের দাবি চাইতে গেলেই আন্দোলনকারীদের জোর করে টেনে- হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায় পুলিস। দাবি-দাওয়ার কথা বলতে গেলেই আন্দোলনকারীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। এখন প্রশ্ন একটাই, এইভাবে আর কতদিন?
কবে হবে চাকরি? আর কতদিন এভাবে রাস্তায় পড়ে বঞ্চনার শিকার হতে হবে এ রাজ্যের হবু শিক্ষকদের? আর কত প্রাণ গেলে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করবে রাজ্য সরকার? মুখ তুলে তাকাবেন মুখ্যমন্ত্রী? উত্তর অজানা।