আচমকাই স্বাস্থ্যভবনে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনস্থলে পৌঁছে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। না মুখ্যমন্ত্রী হয়ে নয়, তিনি বললেন বড় দিদি হিসেবে এসেছি। তাই ভাই-বোনেদের যাতে কেউ কিছু খাইয়ে না দেয় সেই বিষয়ে যে ক...
আচমকাই স্বাস্থ্যভবনে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনস্থলে পৌঁছে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। না মুখ্যমন্ত্রী হয়ে নয়, তিনি বললেন বড় দিদি হিসেবে এসেছি। তাই ভাই-বোনেদের যাতে কেউ কিছু খাইয়ে না দেয় সেই বিষয়ে যে কতটা ভাবছেন তিনি বুঝিয়ে দিলেন তাঁর এই মন্তব্যে। বললেন, সব খাবার খাবেন না। কিন্তু ওই যে নিন্দুকদের মনে মুখ্যমন্ত্রীর এই কথায় কেমন কু গাইছে। তারা বলছেন হঠাৎ এমন কেন বলতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী?
এত মানুষ ভালোবেসে খাবার দিয়ে যাচ্ছেন তাদের আন্দোলনের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে, আর এই খাবার খেতে না করছেন মমতা? কই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মিড ডে মিলে যখন সাপ-ব্যঙ দেখা যায়, তখন তো এত বিচলিত হতে দেখা যায় না মুখ্যমন্ত্রীকে।
প্রশ্ন উঠেছে যে বারাবার শাসকদলের তরফে যে সতর্কবাণী আসছে তবে তা কি প্রছন্ন হুমকি? রাজ্যবাসী দেখেছিল ঠিক একমাস আগে, ১৪ অগাস্ট আরজি করে দুষ্কৃতি হামলা হয়েছিল। ভাঙচুর চালানো হয়েছিল, দুষ্কৃতিদের আটকাতে সেদিন ব্যর্থ পুলিস কার্যত ভয়ে মুখ লুকিয়েছিল। আর মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় চাপিয়েছিলেন রাম ও বামের ঘাড়ে। আবারও কি আরও একটা হামলার ছকের আভাস মমতার গলায়?
কাদম্বিনীর বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন কাদম্বিনীর সতীর্থরা। আর তাদের পাশে শহর থেকে গ্রাম। আমজনতার স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া , আন্দোলনকারীদের জন্য তাদের আনা খাবার জানান দিচ্ছে তাদেরই পাশে সাধারণ মানুষ। লাইট , ক্যামেরার ফোকাস যেন সবটা কেড়ে নিয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে তৈরি হওয়া ফুড কাউন্টার জনগণের ভালোবাসা। একদিন যে মমতার জন্য আবেগে ভাসতো রাজ্যের মানুষ, সেই আবেগের এপি সেন্টার যেন জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলনস্থল। যার সামনে কোথাও গিয়ে ফিকে হয়ে যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী একা বসে থাকার ছবি। তাই বাংলার মানুষের আবেগকে আবার নিজের দিকে টানতে নজর ঘোরানোর চেষ্টায় মরিয়া মমতা? হয়তো, হয়তো বা!