কথায় আছে, রোজ নাকি হনুমান চালিসা পড়লে মানুষের জীবনে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। আবার হিন্দু ধর্ম মতে হনুমানজির মাহাত্ম্য অনেক রয়েছে। জীবনের যেকোনো বাধা বিপত্তি থেকে শুরু করে সফলতার পথ উন্মুক্ত করার জন্য সাহায্য করে হনুমানজি। অনেকেই আছেন যারা প্রতি মঙ্গলবার হনুমানজির মন্দিরে গিয়ে কমলা সিঁদুর ও লাড্ডু সহযোগে পুজো দিয়ে আসেন ভালো অল প্রাপ্তির জন্য। আবার, অনেক বাড়িতেই হনুমানজির মূর্তি বা ছবি প্রতিষ্ঠিত রয়েছে দেখা যায়। এক্ষেত্রে মূলত দুই ধরনের হনুমানজির ছবি দেখতে পাওয়া যেতে পারে। একটা হল সাধারণ হনুমানজির ছবি আর আর একটা হল পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি। আচ্ছা কেউ কি বলতে পারেন, বাড়িতে পঞ্চমুখী বজরংবলী ছবি রাখা শুভ নাকি অশুভ? কিংবা এই দেবতার ছবি ঠিক কোথায় রাখলে সংসারের মঙ্গল হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
দক্ষিণ দিক:
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, দক্ষিণ দিকটি যমরাজ বা নেতিবাচক শক্তির দিক বলে পরিচিত। এই দিকে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি রাখলে ঘরে নেতিবাচক শক্তি বা অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারে না এবং সব ধরনের ভয় দূর হয়। হনুমানজির এই ছবি সাধারণত দক্ষিণ দিকে মুখ করে (অর্থাৎ হনুমানজির মুখ দক্ষিণ দিকে) অথবা বাড়ির দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে দক্ষিণমুখী হয়ে রাখা হয়।
দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ:
বাড়ির এই কোণে ছবিটি রাখলে তা সব ধরনের বাস্তু দোষ দূর করতে এবং সুরক্ষা প্রদান করতে সহায়ক।
মূল প্রবেশদ্বার:
বাড়ির প্রধান দরজার উপরে বা কাছাকাছি পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি লাগানো খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এটি বাইরের থেকে আসা খারাপ শক্তিকে ঘরে প্রবেশ করতে বাধা দেয় এবং সৌভাগ্য নিয়ে আসে। ছবিটিকে এমনভাবে রাখতে হবে যাতে হনুমানজির মুখ বাইরের দিকে থাকে।