দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য আমরা সবসময়ই দু'বেলা ব্রাশ করে থাকি। বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী, দাঁত এবং মাড়ি ভালো রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামগুলোকেও ভালো রাখা খুব দরকার। টুথব্রাশ মুখের ভেতরের নানান জীবাণু খাদ্য করা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এরই সঙ্গে মুখের ভিতরে ব্রিসল ক্ষয় পেতে শুরু করে। এইসব কারণের জন্য ডেন্টাল এক্সপার্টরা প্রতিদিন থেকে চার সপ্তাহ অন্তর টুথব্রাশ বদলানো পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, কোন কোন কারনে টুথব্রাশ পরিবর্তন করার প্রয়োজন?
১) বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী, ব্রাশের কার্যকারিতা যাওয়াই হল টুথব্রাশ পরিবর্তন করার প্রধান কারণ। নিয়মিত দাঁত মাজার জন্য টুথব্রাশের ব্রিসলগুলো নষ্ট হয়ে যায়। আর, এই কারণেই দাঁতের উপরে জমে থাকা খাবারের অবশেষ, প্লাক কিংবা জীবাণু পরিষ্কার করা যায় না। ব্রাশ শক্ত অবস্থায় থাকায় সবথেকে ভালো করে দাঁত পরিষ্কার করতে পারে। তাই, সব থেকে ভালো হয় যদি কেউ ১-২মাস অন্তর ব্রাশ পরিবর্তন করে।
২) টুথব্রাশ মূলত ব্যবহার করা হয় মুখের ভিতরের নোংরা পরিষ্কার করার জন্য। আর, দীর্ঘদিন একই ব্রাশ ব্যবহার করতে করতে সেই ব্রাশে ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু কিংবা ফাঙ্গাস জমে যেতে পারে। বিশেষ করে কেউ যদি ব্রাশ ঠিকমত শুকিয়ে না রাখে কিংবা ব্রাশকে যদি জলের কাছাকাছি রাখে। ব্রাশে জমে থাকা সেই জীবাণু আবার মাড়ি ও দাঁতে ঢুকে নানা রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
৩) মাড়ি ও দাঁত নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ হল নষ্ট হয়ে যাওয়া ব্রিসলে মাড়ি কেটে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। মাড়ি কেটে গেলে খুব স্বাভাবিকভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
৪) চিকিৎসকেরা বলছেন, যদি কেউ কোনও রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর টুথব্রাশ ফেলে দেওয়া উচিত। কারণ, অসুস্থ থাকার সময় ব্যবহার করা টুথব্রাশের জীবাণু সুস্থ হবার পরে ব্যবহার করলে সেই জীবাণুগুলো মুখের ভিতরে ঢুকে যেতে পারে। এর ফলে অনেকের ক্ষেত্রে পুনরায় অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন।