রক্তে যদি কারোর প্রেসার কিংবা সুগারের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকে তাহলে অনেকেরই রাতের ঘুম মরে যায়। তবে, এখনকার দিনে এইসব বিষয়ে তেমন খুব একটা চিন্তা করার বিষয় নয়। নানা ধরনের ওষুধ মারফত নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব। তবে ওষুধের পাশাপাশি নিত্যদিনের জীবনে এমন কিছু জিনিস মেনে চলা উচিত যা কিনা সুগার কিংবা প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। এই সূত্র ধরে বলা ভালো অনেকেই সুগার কিংবা বিশাল ধরা পড়লে ডায়েটে পরিবর্তন আনেন। আবার কেউ কেউ শরীরচর্চা করার চেষ্টাও করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জীবনের ছোট্ট একটা বদলালেই অধিকাংশ সমস্যার সমাধান করতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক, কোন অভ্যাসে সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে-
বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো খাবার খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট হাঁটাচলা করলে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চিকিৎসকেরা বলছে, জীবনের এই ছোট্ট পরিবর্তনজীবনে অনেকটা বদল আনতে পারে। যাঁদের ফ্যাটি লিভার বা প্রিডায়াবিটিস, টাইপ-২ ডায়াবিটিস রয়েছে তাঁদের প্রত্যেকেরই এই নিয়ম মেনে চলা উচিত। এছাড়াও, কেউ যদি ওজন কমাতে চায় কিংবা খাবার হজম করার জন্যেও এই নিয়ম মেনে চললে স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব কার্যকরী হয়।
ডাক্তারদের কথায়, পায়ের পেশি যেহেতু স্পঞ্জের মতো কাজ করে সেহেতু হাঁটার সময় পেশিগুলি রক্ত থেকে সরাসরি গ্লুকোজ বের করে নেয়।
তবে, সবসময় যে তাড়াতাড়ি হাটতে হবে এর কোনো মানে নেই। শুধুমাত্র রোজের নিয়মটা মেনে চললেই হবে। কেউ যদি মনে করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি শরীরের মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে। এই অভ্যাস ওজন কমানোর সঙ্গে লিভারের ফ্যাটও গলে যায়। এই কাজ আবার শরীরে এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে।