এখনকার দিনে, শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকেন। কেউ পান করেন ডিটক্স ওয়াটার আবার কেউ শরীরচর্চা কিংবা ড্রাইড করে থাকেন। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের বাড়তি মেয়ের ঝরাতে গেলে বিপাকহারও বাড়িয়ে তোলা প্রয়োজন। আর সেই কাজটি খুব ভালোভাবেই করতে পারে ডিটক্স ওয়াটার। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, সকালে অনেকেই খালি পেটে লেবু-মধুর জল পান করে থাকেন। ঘরোয়া উপায় এই ডিটক্স ওয়াটার প্রায় সকলের মধ্যেই খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে, লেবুর রসের সাইট্রিক অ্যাসিড থাকার জন্য অনেকেরই খালি পেটে এই পানীয় পান করলে অম্বল হতে পারে। সেক্ষেত্রে এমন কিছু ডিটক্স ওয়াটার পান করতে হবে যা কিনা অম্বল ছাড়াই ওজন ঝরাবে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন ধরনের ডিটক্স ওয়াটার পান করলে শরীরের মধ্যে তফাৎ বুঝতে পারা যাবে?
শসার ডিটক্স:
বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী, শসার ডিটক্স ওয়াটার পেটের গোলমাল সারাতে সাহায্য করে। মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। এই ধরণের বিশেষ পানীয় বানানোর জন্য একটি কাঁচের বোতলে কয়েক টুকরো শসা ও পুদিনা পাতা দিয়ে দিতে হবে। সঙ্গে ওবেসিটি লাঞবে বোতল ভর্তি জল। এরপর, বোতলের মুখ বন্ধ করেদিতে হবে। তারপর, বোতলটা কিছুক্ষণ ভালো করে ঝাঁকিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। সারারাত ফ্রিজে রেখে পরের দিন সকালে সেই জল পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
ধনেপাতা-দারচিনির ডিটক্স:
এই ধরণের ডিটক্স ওয়াটারও শরীরের জন্য খুব ভালো কাজ করে। ধনে পাতা ও পুদিনা পাতার সঙ্গে গোটা হলুদ, লবঙ্গ আদা ও দারচিনি দিয়ে বানাতে হয়। এই কয়েকটা উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে পরিমাণমতো জল দিয়ে রাখতে হবে। সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালবেলা খাওয়া উচিত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পানীয় নিয়মিত পান করলে নাকি ওজন কমতে পারে। নানা ধরণের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি হতে পারে। জানা যাচ্ছে, এই পানীয়ে নাকি এতটা পরিমাণেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।
আনারস-পুদিনার ডিটক্স:
এই ধরণের জল বানানোর জন্য ২ থেকে ৩ কাপ জলের মধ্যে কয়েক টুকরো আনারস ও পুদিনা পাতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে খালি পেতে পান করতে হবে। এই পানীয় ক্যালোরি বার্ন করার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে। এরই সঙ্গে অন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে।