গাঁটের ব্যথা এমন একটি সমস্যা য কমবেশি অনেকেরই আছে। এখনকার দিনে তো প্রতি বাড়িতেই আছে বলাই চলে। কিন্তু আপনি জানেন কী এই গাঁটের ব্যাথাকে কখনই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি বয়স, ওজন, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম, আঘাত বা আস্থিসন্ধি প্রদাহের কারণে হতে পারে। অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন হয়। তবে আপনি অল্প ব্যাথাতে ঘরোয়া কিছু উপায় মেনে চললেই ব্যথা কমানো সম্ভব।
১. গরম ও ঠান্ডা সেঁক:
rnব্যথা ও ফোলাভাব কমানোর জন্য গরম সেঁক ব্যবহার করা যেতে পারে। হালকা গরম জল বা গরম জল বালিশ দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধরে ব্যথার স্থানে রাখলে পেশী শিথিল হয়। তবে নতুন আঘাত বা ফোলা থাকলে প্রথম ২৪ ঘণ্টা ঠান্ডা প্যাক ব্যবহার করা উত্তম, যা প্রদাহ ও ফোলাভাব কমায়।
২. হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং:
rnগাঁট শক্ত না হওয়ার জন্য হালকা ব্যায়াম করা জরুরি। হাঁটা, সাঁতার বা পায়ের জয়েন্ট স্ট্রেচিং পেশী ও জয়েন্টকে নমনীয় রাখে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। তবে তীব্র ব্যথার সময় বেশি চাপ দেওয়া উচিত নয়।
৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ:
rnঅতিরিক্ত ওজন গাঁটের ওপর চাপ বৃদ্ধি করে। নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং জয়েন্টের চাপ কমে।
৪. ঘরোয়া উপায়:
হলুদ ও দুধ: প্রতিদিন এক গ্লাস দুধে সামান্য হলুদ মিশিয়ে খেলে প্রদাহ কমে এবং গাঁট শক্তি বাড়ে।
আদা ও মধু: আদার রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ব্যথা ও জ্বালা কমায়।
নারকেল তেল বা সরিষার তেল দিয়ে ম্যাসাজ: সন্ধিক্ষণে গাঁটে হালকা ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় ও ব্যথা কমে।
৫. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও আরামদায়ক জুতো: যদি দাঁড়াতে বা হাঁটতে ব্যথা হয়, তবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত। আরামদায়ক ও হালকা জুতো জয়েন্টের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করে।
যদি ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়, জয়েন্ট ফুলে যায় বা হাঁটাচলায় সমস্যা হয়, তখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিয়মিত ঘরোয়া যত্ন, ব্যায়াম ও সঠিক খাবার মেনে চললে গাঁটের ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।