এখনকার দিনে, বেশিরভাগ মানুষদের বাইরের খাবার খাওয়ার জল এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে রোজই গ্যাস, অম্বলের মতন সমস্যা লেগেই থাকে। এই লক্ষণ গুলোর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, কার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা ঠিক কতটা রয়েছে। আবার এমনও কেউ কেউ রয়েছে যাদের এর ওপর ভিত্তি করেই বাড়ছে কোলেস্টেরল সুগার। তবে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন আমাদের হিশেলের কয়েকটা জিনিসই এসব সমস্যা দূর করতে পারবে। যদি কয়েকটা জিনিস রান্নাঘর থেকে সরিয়ে ফেলা হয় তাহলে আর এই ধরনের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। চলুন জেনে নেয়া যায় সেই জিনিসগুলি কী কী?
১) আজকালকার দিনে, অনেকেই 'রেডি টু ইট' খাবার খেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আবার, এমন অনেকে রয়েছেন যাঁরা খানিক বাধ্য হয়েই সময় বাঁচানোর জন্য 'রেডি টু ইট' খাবার খেয়ে থাকেন। আবার, যাঁরা একা থাকেন তাঁদের মধ্যে এই ধরণে খাবার খাওয়ার চল বেশি আছে। একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নুডলস, পাস্তার মতো খাবার 'রেডি টু ইট' হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছে, এই ধরনের খাবারে উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম, শর্করা ও প্রিজারভেটিস থাকে। তাই, বিস্কুট, কেক, প্রোটিন বারের মতো খাবার এড়িয়ে চললেই ভালো হয়। এই ধরনের খাবার দিনের পর দিন খেলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
২) অনেকেই আছেন যাঁরা শরীরের কথা ভেবে অনেকেই ময়দার পাউরুটি ছেড়ে আটার তৈরি পাউরুটি খেয়ে থাকেন। এই ধরণের ব্রেডে বাদামি সিন্থেটিক রং ব্যবহার করা হয়। তাই, ব্রাউন ব্রেডকে স্বাস্থ্যকর ভেবে ভুল খাবার বেছে নিলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। একই ভাবে, মুসলি ও কর্নফ্লেক্স-এর মত খাবারকে এড়িয়ে চলাই উচিত।
৩) সোডিয়ামে ভরপুর খাবারও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। খাবারের মধ্যে থাকা এই উপাদান ওজন বাড়ানোর সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে। এমনকি, ক্রনিক অসুখের ঝুঁকিও ডেকে আনতে পারে।
৪) টকদই স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী, একথা কমবেশি সকলেই জানে। কিন্তু, যেসব দই ফ্লেভার যোগ করা থাকে, সেগুলি নাকি বিষের সমান হতে পারে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। এই ধরনের দিতে কৃত্রিম স্বাদ মেশানো থাকে। এই দোয়াগুলো খেতে ভালো লাগলেও শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়।