নিট এবং নেট বিতর্ক নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। তার মধ্য়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কেন্দ্রের। প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া আইন কার্যকর করার কথা ঘোষণা করল সরকার। নতুন এই পরীক্ষা আইন-পাবলিক এগজামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়...
নিট এবং নেট বিতর্ক নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। তার মধ্য়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কেন্দ্রের। প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া আইন কার্যকর করার কথা ঘোষণা করল সরকার। নতুন এই পরীক্ষা আইন-পাবলিক এগজামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ সংসদে পাশ হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসেই। তবে নিট এবং নেট নিয়ে বিতর্ক সামনে আসতেই সেই আইনের নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবারই এই আইন কার্যকর করা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
এরপর শুক্রবার, ২১ জুন কার্যকর করা হয় পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট। এই নয়া আইন অনুযায়ী, যদি কোনও ব্য়ক্তি প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা উত্তরপত্র বেনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্দে জামিন অযোগ্য় ধারায় মামলা দায়ের করা হবে। তারপর দোষী প্রমাণিত হলে ন্যূনতম তিন বছর জেল খাটতে হবে। সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাসের সাজা হতে পারে। সঙ্গে দিতে হতে পারে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাও।
পাশাপাশি, নয়া পরীক্ষা আইনের বিধি অনুযায়ী, পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্বে থাকা সংস্থার কোনও ব্যক্তি যদি প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে তাঁকে ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। এদিকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে দোষীকে। এদিকে যদি কোনও নিয়ামক সংস্থার আধিকারিক পরীক্ষায় জালিয়াতির কথা জেনেও চুপ থাকেন, তাহলে তাঁকেও ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
তবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতি মামলায় বাইরের লোক জড়িত থাকলে তাদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বাধিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে নয়া আইনে। তবে ন্যায় সংহিতা কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। এই পরীক্ষা আইনের বিধানগুলি এখন থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ততদিন ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনেই এই আইনের ধারাগুলি কার্যকর থাকবে।