আসন্ন স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে আঞ্চলিক কমিশনগুলির প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় বদল আনল রাজ্য সরকার। এবার পাঁচ আঞ্চলিক স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাথায় বসছেন পাঁচ জন WBCS আধিকারিক।নতু...
আসন্ন স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে আঞ্চলিক কমিশনগুলির প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় বদল আনল রাজ্য সরকার। এবার পাঁচ আঞ্চলিক স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাথায় বসছেন পাঁচ জন WBCS আধিকারিক।
নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী-
মালদা: প্রলয় রায়চৌধুরী
বাঁকুড়া: মিঠু সরকার
বর্ধমান: পূর্ণিমা দে
কলকাতা: কাসবেরী ঘোষ
বারাসত: শ্রাবন্তী দাস
এঁরা প্রত্যেকেই সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কমিশনের চেয়ারম্যান-ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। অতীতে এই পদে শিক্ষা জগতের ব্যক্তিত্ব বা রাজ্য সরকার মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ করা হত। তৃণমূল জমানায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ অধ্যাপক বা ব্যক্তিত্বদের এই পদে বসানোর অভিযোগ উঠত। গত জুন মাসে পাঁচ আঞ্চলিক কমিশনের চেয়ারম্যানরা একযোগে পদত্যাগ করার পর অচলাবস্থা তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে সাময়িকভাবে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের (DI) অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই অস্থায়ী ব্যবস্থা তুলে সরাসরি প্রশাসনিক আধিকারিকদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হল। তবে এই রদবদলকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা হিসেবেই দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।
বলে রাখা ভালো, এসএসসি নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় হাই কোর্ট। চাকরি যায় ২৫,৭৫৩ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে গেলেও, ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের রায় বহাল রাখে। শীর্ষ আদালত জানায়, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াই দূষিত ও কলুষিত। OMR শিট নষ্ট করে ফেলা এবং তথ্য গোপনের চেষ্টাকে গুরুতর ত্রুটি বলে উল্লেখ করে আদালত। এমতাবস্থায় আদালতের নির্দেশ ফের নতুন করে পরীক্ষা নেয় এসএসসি। কিন্তু অভিযোগ পরীক্ষা হলেও এখনও নিয়োগ শুরু হয়নি। এমতাবস্থায় শীর্ষ আদালতে আগামী বছরের ৩১ মে পর্যন্ত রাজ্য সরকারকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে। সাফ নির্দেশ দিয়ে জানান হয়েছে নির্ধারিত ওই দিনের মধ্যে নিয়োগ সম্পূর্ণ করতে হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে।