মেঘভাঙা বৃষ্টিতে চরম বিপর্যয়ের কবলে পড়েছে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালী গ্রাম। কাদাপাথর ভর্তি হড়পা বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ধারালী গ্রামের একটা বড় অংশ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে একের পর এক বাড়িঘর। কিছুদিন আগেই...
মেঘভাঙা বৃষ্টিতে চরম বিপর্যয়ের কবলে পড়েছে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালী গ্রাম। কাদাপাথর ভর্তি হড়পা বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ধারালী গ্রামের একটা বড় অংশ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে একের পর এক বাড়িঘর। কিছুদিন আগেই উত্তরাখণ্ডে এমনই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই আবহে মেঘভাঙা বৃষ্টির পরিস্থিতি জম্মু-কাশ্মীরে! সূত্রের খবর, কাশ্মীরের চাসোটিতে এমনই ভয়াবহ বিপর্যয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে! পাশাপাশি আহতের সংখ্যা বহু। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্য শুরু করেছে। গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকা জুড়ে। সেই সঙ্গে গোটা ঘটনায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি একটানা মেঘভাঙা বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তরকাশীতে হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রবল জলস্রোতে ভেঙে গিয়েছে ধরালী গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িঘর। ভেসে গিয়েছে প্রায় বহু হোটেল! বহু রাস্তাঘাট জলের তলায় চলে যায়। জনজীবন বাহ্যত হয় গোটা ঘটনায়। পাশাপাশি বিগত কিছুদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশ জুড়ে একনাগাড়ে বৃষ্টিপাত চলছে। শুধু তাই নয়। সেই সঙ্গে ভূমিধস ও বজ্রপাতের মত ঘটনা। জনজীবন বাহ্যত হয়েছে। প্রায় ২৫৪ টি রাস্তার উপরেও প্রভাব পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বহু রাস্তাঘাট। অন্তত ৪৩২ টি পশুর মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। কমপক্ষে ৩ হাজার ৬০০ জনকে উদ্ধার করা হলেও প্রায় ৩ হাজার ৬৫ জন এখনও ত্রাণ শিবিরের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় লাল সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। যানবাহন চলাচল স্তব্ধ। অনেক বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছে। মান্ডি জেলার অনেক এলাকায় জলের তলায়। আটকে গিয়েছেন বহু পর্যটক। যার ফলে মৃতের ও নিখোঁজের আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা ওয়াকিবহল মহলের।