দিল্লির কোচিং সেন্টারের ছাত্র মৃত্য়ুর ঘটনায় দিল্লি পুলিস থেকে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্ট রাজেন্দ্র নগরে তিনজন ইউপিএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর তদন্ত সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর কর...
দিল্লির কোচিং সেন্টারের ছাত্র মৃত্য়ুর ঘটনায় দিল্লি পুলিস থেকে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্ট রাজেন্দ্র নগরে তিনজন ইউপিএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর তদন্ত সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে। এই মৃত্য়ুর ঘটনায় দিল্লির পুরসভা ও পুলিসের ভূমিকায় অসন্তোষে আদালত এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। দিল্লি হাইকোর্ট সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে সিভিল সার্ভিস প্রত্যাশীদের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র অফিসারকে মনোনীত করতে।
আজ, শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি মনমোহন এবং বিচারপতি তুষার রাও গেডেলার বেঞ্চে। সেখানেই রীতিমত আদালতের ভর্ৎসনা মুখে পড়তে হয় পুলিস ও দিল্লি পুরসভাকে। প্রশ্ন তোলা হয় কেন নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক ছিল না, কীভাবেই বা এত জল জমলো? কেন প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বেসমেন্টে বেআইনিভাবে কোচিং সেন্টার ও লাইব্রেরী চালানো হচ্ছিল? এরকম নানাবিধ প্রশ্ন করেন বিচারপতি।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুলাই রাজেন্দ্রনগরের একটি কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টে বৃষ্টির জল ঢুকে তৈরী হয় ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। মর্মান্তিক মৃত্যু তিনজনের। জলে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। মৃতেরা হলেন তানিয়া সোনি, শ্রেয়া যাদব এবং নবীন ডেভলিন। এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি পুলিস-প্রশাসন। অন্তত ১৩ টি কোচিং সেন্টার সিল করে দেওয়া হয়। এছাড়া এই ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে পুলিস। এই নিয়ে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় সাত। অভিযুক্তদের মধ্যে এক জন গাড়ির চালক বলে জানা গিয়েছে। তিনি ঘটনার দিন জমা জলের মধ্যে দিয়ে জোরে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। সেই স্রোতের ধাক্কাতেই কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টের দরজা ভেঙে গিয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান পুলিসের।